বাইবেলের মধ্যে পরষ্পর বিরোধিতা

বাইবেলের মধ্যে পরষ্পর বিরোধিতা

বাইবেলের মধ্যে পরষ্পর বিরোধিতা

বাইবেলের মধ্যে পরষ্পর বিরোধিতা (Contradictions in Bible) : 

  আদিপুস্তক : - (সৃষ্টির প্রথম দিনে) ..  .. ঈশ্বর কহিলেন দীপ্তি (ষরমযঃ) হউক ; তাহাতে দীপ্তি হইল .. .. আর ঈশ্বর দীপ্তির নাম দিবস অন্ধকারের নাম রাত্রি রাখিলেন

আদিপুস্তক : ১৪-১৯ ঈশ্বর (চতুর্থ দিনে) দিনের উপর কর্তৃত্ব করিতে এক মহাজ্যোতিঃ  (সূর্য) রাত্রির উপর কর্তৃত্ব করিতে তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এক জ্যোতিঃ , এই দুই বৃহৎ জ্যোতি এবং নক্ষত্র সমূহ নির্মান করিলেন

চতুর্থ দিনে সূর্য তৈরী হওয়ার আগেই প্রথম দিনে দিন-রাত্রি সৃষ্টি হয়ে গেল 

 

আদিপুস্তক : ১১-১২ পরে (তৃতীয় দিবসে) ঈশ্বর কহিলেন ভূমিতৃণ বীজোৎপাদক ওষধি, স্ববীজ স্ব স্ব জাতী অনুযায়ী ফলের উৎপাদক ফলবৃক্ষ, ভুমির উপরে উৎপন্ন করুক ; তাহাতে সেইরূপ হইল চতুর্থ দিনে সূর্য তৈরী হওয়ার আগেই তৃতীয় দিনে পৃথিবীতে গাছ-পালা, তৃণলতা ইত্যাদি হয়ে গেল, আদম সৃষ্টির আগে আদম সৃষ্টি হন ৬ষ্ট দিবসে (আদিপুস্তক : ২৭)

আবার দেখা যাচ্ছে গাছ-পালা, তৃণলতা ওষধি ইত্যাদি সৃষ্টি হলো আদম সৃষ্টি হওয়ার পরে

আদিপুস্তক : - সেই সময়ে পৃথিবীতে ক্ষেত্রের কোন উদ্ভিজ্জ হইত না , আর ক্ষেত্রের কোন ওষধি উৎপন্ন হইত না .. .. আর সদাপ্রভু ঈশ্বর মৃত্তিকার ধূলিতে আদমকে নির্মান করিলেন (৬ষ্ট দিবসে)

আদিপুস্তক : ২০-২১ পরে ঈশ্বর কহিলেন ..  .. ভূমির উর্দ্ধে আকাশ মন্ডলের বিতানে পক্ষিগন উড় .. এবং নানা জাতীয় পক্ষীর সৃষ্টি করিলেন (পঞ্চম দিবসে) পাখীরা সৃষ্টি হল মানুষের আগে  আবার  আদিপুস্তক : ১৯ আর সদাপ্রভু ঈশ্বর মৃত্তিকা হইতে সকল বন্য পশু আকাশের সকল পক্ষী  নির্মান করিলেন পরে আদম তাহাদের কি কি নাম রাখিবেন, তাহা জানিতে সেই সকলকে তাঁহার নিকট আনিলেন এখানে দেখা যাচ্ছে পাখীরা সৃষ্টি হল মানুষের পরে

আদিপুস্তক : ২৬-২৭ পরে ঈশ্বর আপনার প্রতিমূর্তিতে মনুষ্যকে সৃষ্টি করিলেন ; ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতেই তাহাকে সৃষ্টি করিলেন, পুরুষ স্ত্রী করিয়া তাহাদিগকে সৃষ্টি করিলেন পরে ঈশ্বর তাহাদিগকে আশির্বাদ করিলেন ; ঈশ্বর কহিলেন তোমরা প্রজাবন্ত বহু বংশ হও আদম হাওয়া কি একই সাথে সৃষ্টি হয়ে ছিলেনআবার দেখা যাচ্ছে - আদিপুস্তক  : , ১৮-২২ আর সদাপ্রভু ঈশ্বর মৃত্তিকার ধূলিতে আদমকে নির্মান করিলেন ..  .. আর সদাপ্রভু কহিলেন, মনুষ্যের একাকী থাকা ভাল নয়, আমি তাহার জন্য তাহার অনুরূপ সহকারিনী নির্মান করি ..  .. পরে সদাপ্রভু ঈশ্বর আদম কে ঘোর নিদ্রায় মগ্ন করিলে তিনি নিদ্রিত হইলেন ; আর তিনি তাঁহার একখানা পঞ্জর লইয়া মাংস দ্বারা সেই স্থান পুরাইলেন সদাপ্রভু ঈশ্বর আদম হইতে গৃহীত সেই পঞ্জরে এক স্ত্রী নির্মান করিলেন তাহাকে আদমের নিকট আনিলেন এখানে দেখা যাচ্ছে আদম হাওয়া আগে- পরে ,পৃথক ভাবে সৃষ্টি হয়ে ছিলেন

আদিপুস্তক : ২৮  পুরুষ স্ত্রী করিয়া তাহাদিগকে সৃষ্টি করিলেন পরে ঈশ্বর তাহাদিগকে আশির্বাদ করিলেন ; ঈশ্বর কহিলেন তোমরা প্রজাবন্ত বহু বংশ হও এবং পৃথিবী পরিপূর্ণ বশীভূত কর ( ঈশ্বর বংশবৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন)   আবার লেবীয় পুস্তক ১২: - এর মধ্যে দেখা যাচ্ছে- আর সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন -তুমি ইস্রায়েল সন্তানগনকে বল, যে স্ত্রী গর্ভধারন করিয়া পুত্র প্রসব করে সে সাত দিন অশুচি থাকিবে ..  .. আর যদি সে কন্যা প্রসব করে তবে দুই সপ্তাহ অশুচি থাকিবে..  ..  পরে শৌচার্থক দিন সম্পূর্ন হইলে সে হোমবলির জন্য একবর্ষীয় একটি মেষ শাবক এবং পাপার্থক বলির জন্য  একটি কপোত শাবক কিম্বা একটি ঘুঘু সমাগম তাম্বুর দ্বারে যাজকের নিকট আনিবে আর যাজক সদাপ্রভুর সম্মুখে তাহা উৎসর্গ করিয়া সেই স্ত্রীর নিমিত্তে প্রায়শ্চিত্ত করিবে  -(সন্তান জন্মদান যেন একটি অপরাধ যে জন্য প্রায়শ্চিত্তের প্রয়োজন হয়ে পড়ে) 

ঈশ্বর বলেন যে তিনি যিহোভা (সদাপ্রভু) এই নামে সর্বপ্রথম মুসা (আঃ) এর নিকট পরিচয় দেন , তাঁর সদাপ্রভু নাম তার আগে কেউই জানতো না যাত্রা পুস্তক : এর মধ্যে দেখা যায় - ঈশ্বর মোশির সহিত আলাপ করিয়া আরো কহিলেন, আমি যিহোভা  (সদাপ্রভু) ; আমি আব্রাহামকে, ইসহাককে যাকবকেসর্বশক্তিমান ঈশ্বরবলিয়া দর্শন দিতাম কিন্তু আমার যিহোভা (সদাপ্রভু) নাম লইয়া তাহাদিগকে আমার পরিচয় দিতাম না অথচ আদিপুস্তক : , : ২৬, ১৮: , ২২: ১৪-১৬, ২৬: ২৫ ইত্যাদি পংক্তির মধ্যে দেখা যাচ্ছে ঈশ্বর আগাগোড়া তাঁর যিহোভা (সদাপ্রভু) এই নামেই অভিহিত হয়ে এসেছেন (ঈশ্বরকে মিথ্যাবাদী বানালো কে ?)

আদিপুস্তক : ১৭  আর সদাপ্রভু ঈশ্বর আদমকে এই আজ্ঞা দিলেন, তুিম এই উদ্যানের সমস্ত বৃক্ষের ফল স্বচ্ছন্দে ভোজন করিও ; কিন্তু সদসদ জ্ঞান দায়ক যে বৃক্ষ তাহার ফল ভোজন করিওনা, কেননা যে দিন তাহার ফল খাইবে , সেইদিন মরিবেই মরিবে সবাই জানেন যে আদম (আঃ) সেই বৃক্ষের ফল খেয়েছিলেন কিন্তু সেই দিনেই মারা যান নি আদিপুস্তক : অনুসারে  - সর্ব্বশুদ্ধ আদমের নয়শত ত্রিশ বৎসর বয়স হইলে তাঁহার মৃত্যু হইল ( ঈশ্বরকে মিথ্যাবাদী বানালো কে ?)

ঈশ্বর তাঁর কাজের জন্য কোন অনুশোচনা করেন কিনা ? আদিপুস্তক :   তাই সদাপ্রভু পৃথিবীতে মনুষ্যের নির্মান প্রযুক্ত অনুশোচনা করিলেন, শামুয়েল ১৫: ৩৫ আর সদাপ্রভু  ইস্রায়েলের উপরে শৌলকে রাজা করিয়াছেন বলিয়া অনুশোচনা করিলেন,   শামুয়েল ২৪: ১৬ আর যখন দূত যিরূসালেম বিনষ্ট করিতে তৎপ্রতি হস্ত বিস্তার করিলেন তখন সদাপ্রভু সেই বিপদের জন্য অনুশোচনা করিয়া সেই লোক বিনাশক দূতকে কহিলেন যথেষ্ট হইয়াছে, এখন তোমার হস্ত সঙ্কোচিত কর এই সমস্ত পংক্তি অনুসারে দেখা যায় ঈশ্বর তাঁর কাজের জন্য অনুশোচনা করেন আবার গননা পুস্তক ২৩: ১৯ দেখা যায়ঈশ্বর মনুষ্য নহেন যে মিথ্যা বলিবেন; তিনি মনুষ্য-সন্তান নহেন যে অনুশোচনা করিবেন  শামুয়েল ১৫: ২৯ ইস্রায়েলের বিশ্বাসভূমি মিথ্যা কথা কহেন না অনুশোচনা করেন না ; কেননা তিনি মনুষ্য নহেন, যে অনুশোচনা করিবেন গুলি পরষ্পর বিরোধী

আদিপুস্তক : ১৯-২২, : -, : ১৪-১৬ অনুসারে দেখা যায় নূহ (আঃ) তাঁর জাহাজেমাংসবিশিষ্ট সমস্ত জীবজন্তুর স্ত্রী-পুরুষ যোড়া যোড়া লইয়া আপনার সহিত জাহাজেপ্রবেশ করেন অথচ আদিপুস্তক : - এর মধ্যে দেখা যাচ্ছে শুচি পশুর সাত সাত জোড়া, অশুচি পশুর স্ত্রী-পুরুষ এক এক জোড়া এবং পাখীদের সাত সাত জোড়া রাখার জন্য বলা হয়েছে এবংতখন নোহ সদাপ্রভুর আজ্ঞা অনুসারে সকল কর্ম্ম করিলেন

১০ দাউদ (আঃ) কে ইস্রাইলী যোদ্ধাদের সংখ্যা গোনার জন্য কে প্রবৃত্তি দিয়ে ছিল?                     

২শ্যামুয়েল ২৪ : অনুসারে ঈশ্বর, ‘আর ইস্রায়েলের প্রতি সদাপ্রভুর ক্রোধ পুনর্ব্বার প্রজ্জ্বলিত হইল, তিনি তাহাদের বিরুদ্ধে দাউদকে প্রবৃত্তি দিলেন, কহিলেন, যাও, ইস্রায়েল যিহুদাকে গননা করকিন্তু বংশাবলী ২১ : অনুসারেদেখা যায় গননা করার জন্য শয়তান দাউদকে প্রবৃত্তি দিল  -‘আর শয়তান ইস্রায়েলের প্রতিকুলে দাঁড়াইয়া ইস্রায়েলকে গননা করিতে দাউদকে প্রবৃত্তি দিল

১১ গননায়  ইস্রাইলী যোদ্ধাদের সংখ্যা কত পাওয়া গিয়েছিল?                                                                          শ্যামুয়েল ২৪: অনুসারে ৮০০,০০০  (আট লক্ষ), কিন্তু বংশাবলী ২১ : অনুসারে ১১,০০,০০০ (এগার লক্ষ)

১২ গননায় যিহুদার যোদ্ধাদের সংখ্যা কত পাওয়া গিয়েছিল?                                                                           শ্যামুয়েল ২৪: অনুসারে ,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ), কিন্তু বংশাবলী ২১ : অনুসারে ,৭০,০০০ ( চার লক্ষ সত্তুর হাজার )

১৩ সদাপ্রভূ ঈশ্বর গাদ আঃ (নবী) কে দাউদ (আঃ) এর কাছে পাঠিয়ে কত বৎসরের জন্য দুর্ভিক্ষের ভয় দেখিয়ে ছিলেন?             ২শ্যামুয়েল ২৪: ১৩ অনুসারে বৎসরের জন্য, কিš ‘  বংশাবলী ২১ : ১২ অনুসারে বৎসরের জন্য

১৪ যিহুদা রাজ যিহোরামের পুত্র অহসিয় তার কত বৎসর বয়সে জিরুশালেমে রাজত্ব করা শুরু করেন?                                 রাজাবলী : ২৬ অনুসারে বাইশ বৎসর বয়সে, কিন্তু বংশাবলী ২২ : অনুসারে বিয়ালি¬ বৎসর বয়সে

১৫ যিহোয়াখীন কত বৎসর বয়সে জিরুশালেমে রাজত্ব করা শুরু করেন রাজাবলী ২৪ : অনুসারে আঠারো বৎসর বয়সে , কিন্তু বংশাবলী ৩৬ : অনুযায়ী আট বৎসর বয়সে

১৬ যিহোয়াখীন জিরুশালেমে কত দিন রাজত্ব করেন? রাজাবলী ২৪ : অনুসারে মাত্র তিন মাস, কিন্তু বংশাবলী ৩৬ : অনুসারে তিন মাস দশ দিন

১৭ দাউদ (আঃ) এর প্রধান বীর ইসনীয় আদীনো এক সঙ্গে কত জন লোক কে নিহত করে ছিলেন?                                    শ্যামুয়েল ২৩ : অনুসারে আট শত জনকে, কিন্তু ১বংশাবলী ১১: ১১ অনুযায়ী তিন শত লোক

১৮ দাউদ (আঃ) কখন নিয়ম-সিন্দুক জিরুশালেমে নিয়ে আসেনপলেষ্টিয়দের পরাজয়ের আগে অথবা পরে? শ্যামুয়েল এবং আনুসারে পরে কিন্তু বংশাবলী ১৩ এবং ১৪ অনুসারে আগে

১৯ আল্ল¬াহ তায়ালা নূহ (আঃ) কে কয় জোড়া করে প্রানী তাঁর নৌকায় নেওয়ার জন্য হুকুম দিয়েছিলেন?      আদি পুস্তক : ১৯ , ২০ অনুসারে  এক জোড়া রেকিন্তু আদি পুস্তক : অনুযায়ী শুচী পশুর সাত সাত জোড়া করে , অশুচী পশুর এক জোড়া  এবং পাখীদের সাত জোড়া করে, কিন্তু নৌকায় উঠার সময়ে প্রত্যেক প্রানীই এক জোড়া রে ঊঠানো হয়েছিল (আদি পুস্তক : , )

২০ দাউদ (আঃ) যে সময়ে সোবার রাজা (করহম ড়ভ তড়নধয) রাহোবের পুত্র হদদেষর কে পরাজিত করেন তখন তিনি তাদের কতজন অশ্বারোহী সৈন্যকে বন্দী করেন ?   শ্যামুয়েল : অনুসারে একহাজার সাত শত অশ্বারোহীকে বন্দী করেন, কিন্তু ১বংশাবলী ১৮ : অনুসারে সাত হাজার অশ্বারোহীকে

২১ শোলেমন (আঃ) এর কতগুলি ঘোড়ার আস্তাবল ছিল রাজাবলী : ২৬ অনুসারে ৪০,০০০ (চলি¬ হাজার) কিন্তু বংশাবলী : ২৫ অনুযায়ী ,০০০ (চার হাজার) মাত্র

২২ রাজা আশা কত বৎসর রাজত্ব কালে  ইস্রাইলের রাজা বাশা মৃত্যু হয় রাজাবলী ১৫ : ৩৩ ১৬ : অনুসারে ২৬ বৎসর রাজত্বকালে , আবার বংশাবলী ১৬ : অনুসারে রাজা আশা রাজত্বের ৩৬ তম বৎসরেও তিনি জীবিত

২৩ বায়তুল মোকাদ্দাস নির্মানের কালে শোলেমন (আঃ) ভারবহনকারী কাঠুরিয়াদের কাজ পরিদর্শনের জন্য কয়জন অধ্যক্ষ (ড়াবৎংববৎং) নিযুক্ত করে ছিলেন বংশাবলী : অনুসারে  ,৬০০ (তিন হাজার ছয়শত) জন, আবার রাজাবলী : ১৬ অনুযায়ী ,৩০০ (তিন হাজার তিন শত) জন

২৪  শোলেমন (আঃ) যে সমুদ্র-পাত্র নির্মান করে ছিলেন তার মধ্যে কতবাথপরিমান তরল পদার্থ ধরত রাজাবলী : ২৬ অনুসারে ,০০০ (দুই হাজার) ‘বাথকিন্তু বংশাবলী : অনুসারে  ,০০০ (তিন হাজার) ‘বাথ

২৫ ব্যাবিলন থেকে যে ইস্রাইলী বন্দীরা মুক্ত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে পহৎ-মোয়াবের সন্তান কতজন ছিলইষ্রা (ঊুৎধ) : অনুসারে ,৮১২ (দুই হাজার আটশত বার) জন, কিন্তু নহিমিয় : ১১ অনুযায়ী ,৮১৮ (দুই হাজার আটশত আঠার) জন

২৬ ব্যাবিলন থেকে যে ইস্রাইলী বন্দীরা মুক্ত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে সত্তূ (তধঃঃঁ) সন্তান কতজন ছিলইষ্রা (ঊুৎধ) : অনুযায়ী ৯৪৫ জন, কিন্তু নহিমিয় : ১৩ অনুযায়ী ৮৪৫ জন

২৭ তাদের মধ্যে আস্গদের সন্তান কতজন ছিলইষ্রা (ঊুৎধ) : ১২ অনুযায়ী ,২২২ জন, কিন্তু নহিমিয় : ১৭ অনুযায়ী ,৩২২ জন

২৮ তাদের মধ্যে আদীনের সন্তান কতজন ছিলইষ্রা (ঊুৎধ) : ১৫ অনুযায়ী ৪৫৪ জনকিন্তু নহিমিয় :২০ অনুযায়ী ৬৫৫ জন

২৯ তাদের মধ্যে হাশুমের (ঐধংযঁস) সন্তান কতজন ছিল?   ইষ্রা (ঊুৎধ) : ১৯ অনুযায়ী ২২৩ জনকিন্তু নহিমিয় :২২ অনুযায়ী ৩২৮ জন

৩০ তাদের মধ্যে বৈথেল অয় এর  লোক কতজন ছিলইষ্রা (ঊুৎধ) : ২৮ অনুযায়ী ২২৩ জনকিন্তু নহিমিয় :৩২ অনুযায়ী ১২৩ জন

 ৩১ ব্যাবিলন থেকে যে সমস্ত ইস্রাইলী বন্দীরা মুক্ত হয়েছিলেন তাদের মোট সংখ্যা কত ছিল ?                  

সম্বন্ধে  ইষ্রা : ৬৪ নহিমিয় : ৬৬ এর মধ্যে উভয়ে একমত যে  তাদের মোট সংখ্যা ছিল ৪২,৩৬০ জন কিন্তু  ইষ্রার হিসাব এর যোগফল এবং নহিমিয় এর হিসাব এর যোগফল কোনটিই এর ধারে কাছে আসে না ইষ্রার হিসাব এর যোগফল দেখা যায় ২৯,৮১৮ জন এবং নহিমিয় এর হিসাব এর যোগফল দেখা যায় ৩১,০৮৯ জন

৩২ এই দলে গায়ক ছিল কতজন ?   ইষ্রা : ৬৫ অনুসারে ২০০ জন কিন্তু  নহিমিয় : ৬৭ অনুসারে ২৪৫ জন

৩৩ রাজা অবিয় (অনরলধয) এর মায়ের নাম কি ছিল বংশাবলী ১৩ : অনুসারে অবিয় এর মায়ের নাম ছিল মীখায়া, তিনি ঊরীয়েলের কন্যা কিন্তু  বংশাবলী ১১ : ২০ অনুসারে দেখা যায় অবিয় এর মায়ের নাম ছিল মাখা তিনি অবশালোমের কন্যা আবার শমুয়েল ১৪ : ২৭ এর মধ্যে দেখা যায় অবশালোমের একটিই কন্যা সন্তান ছিল আরকন্যাটির নাম তামর, সে দেখিতে সুন্দরী ছিল

৩৪ যিহোশূয় (ঔড়ংযঁধ) ইস্রাইলীয়রা কি জিরুসালেম দখল করতে পেরে ছিলযিহোশূয়ের পুস্তক ১০ : ২৩ এবং ৪০ অনুযায়ী হ্যা, কিন্তু একই পুস্তকের ১৫ : ৬৩ অনুসারে  না (পারে নাই)

৩৫ মিদিয়নীয় বনিকেরা ইউসুফ (আঃ) কে কার কাছে বিক্রি করে ছিল ? আদিপুস্তক ৩৭ : ২৮ অনুসারে  ইশ্মায়েলীয় দের কাছে, তাঁরা তাঁকে মিশরে নিয়ে আসে কিন্তু একই পুস্তকের একই অধ্যায়ের ৩৬ পংক্তি তে (আদিপুস্তক ৩৭ : ৩৬) দেখা যায় মিদিয়নীয় বনিকেরা  তাঁকে মিশরে নিয়ে আসে এবং তাঁকে ফেরাউন এর কর্মচারী রক্ষক-সেনাপতি পোটিফর এর কাছে বিক্রয় করে আবার ইউসুফ (আঃ) এর নিজের ভাষ্য অনুযায়ীতিনি কহিলেন আমি যোষেফ, তোমাদের ভাই, যাহাকে তোমরা মিসর গামীদের কাছে বিক্রয় করিয়াছিলে” (আদিপুস্তক ৪৫: )

৩৬ ঈশ্বর কি তাঁর মন পরিবর্তন করেন বা কোন কাজ করে পরে অনুশোচনা করেন ? হ্যাঁ , “পরে শমূয়েলের কাছে সদাপ্রভূর এই বাক্য উপস্থিত হইল, আমি শৌলকে রাজা করিয়াছি বলিয়া আমার অনুশোচনা হইতেছে”   ( শমুয়েল ১৫: ১০, ১১), আবার  একই পুস্তকে একটু পরেই আমরা দেখতে পাই : ( শমুয়েল ১৫: ২৯) “আবার ইস্রায়েলের বিশ্বাসভূমি মিথ্যা কথা কহেন না অনুশোচনা করেন না ; কেননা তিনি মনুষ্য নহেন যে , অনুশোচনা করিবেন  পুনরায় দেখা যায় হ্যাঁ, ঈশ্বর তাঁর মন পরিবর্তন করেন, একই পু¯তকের একই অধ্যায়ে অর্থাৎ ( শমুয়েল ১৫: ৩৫) এর মধ্যে রয়েছে : “ আর সদাপ্রভূ  ইস্রায়েলের উপরে শৌলকে রাজা করিয়াছেন বলিয়া অনুশোচনা করিলেন একই পু¯তকের একই অধ্যায়ে এইভাবে পরষ্পর বিরোধী কথাবার্তা আর অন্য কোন পুস্তকে আছে বলে মনে হয় না ছাড়াও বাইবেলের ঈশ্বরের অনেকবার মন পরিবর্তনের আরো অনেক উদাহরন রয়েছে যেমন :

আদিপুস্তকের : পংক্তিতে দেখা যায়, “ তাই সদাপ্রভূ পৃথিবীতে মনুষ্যের নির্মান প্রযুক্ত অনুশোচনা করিলেন, মনঃপীড়া পাইলেন

আদিপুস্তকের : পংক্তিতে : “ আর সদাপ্রভূ কহিলেন, আমি যে মনুষ্যকে সৃষ্টি করিয়াছি, তাহাকে ভূমন্ডল হইতে উচ্ছিন করিব মনুষ্যের সহিত পশু, সরীসৃপ, জীব আকাশের পক্ষীদিগকেও উচ্ছিন করিব ; কেন না তাহাদের নির্মান প্রযুক্ত আমার অনুশোচনা হইতেছে

পুনরায় আমরা যাত্রাপুস্তক ৩২ : ১৪ এর মধ্যে দেখি যে ঈশ্বর তাঁর মন পরিবর্তন করছেনতখন সদাপ্রভূ আপন প্রজাদের যে অনিষ্ট করিবার কথা বলিয়াছিলেন, তৎ-প্রযুক্ত অনুশোচনা করিলেন

এই ধরনের আরো অনেক উদাহরন রয়েছে

৩৭ তাওরাতে ( বাইবেল পুরাতন নিয়ম) উল্লে¬ রয়েছে যে মুসা আঃ এবং হারুন আঃ যে যে মোযেজাগুলি দেখিয়ে ছিলেন ফেরাউনের রাজসভার জাদুকরেরা তার সবগুলিই করে দেখান (যাত্রাপুস্তক : ২২) কথাটির যৌক্তিকতা থাকেনা যখন আমরা দেখিমুসা আঃ এবং হারুন আঃ মিশরের সমস্ত পানীকে রক্তে পরিনত করলেন (যাত্রাপুস্তক : ২০ - ২১), জাদুকরেরাও তাই করে দেখান (?), যদি মিশরের সমস্ত পানীই মুসা আঃ এবং হারুন আঃ রক্তে পরিনত করে থাকেন সে ক্ষেত্রে জাদুকরেরা রক্তে পরিনত করার জন্য আর কোন পানীই পেতে পারেন না

৩৮ গোলিয়াথ কে হত্যা করেছিল কে শমুয়েল : ২৩ - ৫১ অনুসারে দাউদ (আঃ) গোলিয়াথ কে হত্যা করেন কিন্তু  শমুয়েল : ২১: ১৯ - ২০ অনুসারে যারেওরগীমের পুত্র ইলহানন  গোলিয়াথ কে হত্যা করেন

৩৯ শৌল কে হত্যা করেছিল কে শমুয়েল : ৩১ : - অনুসারেআর শৌল আপন অস্ত্রবাহককে কহিলেন, তোমার খড়গ খুল , উহা দ্বারা আমাকে বিদ্ধ কর, নতুবা কি জানি অচ্ছিন্নত্বকেরা আসিয়া আমাকে বিদ্ধ করিয়া আমার অপমান করিবে কিন্তু তাহার অস্ত্রবাহক তাহা করিতে চাহিল না, কারন সে অতিশয় ভীত হইয়াছিল ; অতএব শৌল খড়গ লইয়া আপনি তাহার উপর পড়িলেন আর শৌল মরিয়াছেন দেখিয়া তাহার অস্ত্রবাহকও আপন খড়গের উপর পড়িয়া তাহার সহিত মরিল”  কিন্তু  শমুয়েল : - ১২ এর মধ্যে দেখা যায় জনৈক অমালেকীয় ব্যক্তি শৌল এর অনুরোধে শৌল কে হত্যা করেছিল

৪০ শ্যামুয়েল,১৭ :১২-১৪  পদে উলে¬ আছে দায়ুদ যিশুয়ের অষ্টম সন্তান বংশাবলী : ১৩-১৫ পদে আছে সপ্তম সন্তান

৪১ শ্যামুয়েল  : ২৩ পদে আছে শৌলের কণ্যা মীখলের মরনকাল পর্যন্ত কোন সন্তান হয়নি অথচ      পুস্তকেরই ২১ : পদে আছে মীখল টি পুত্র প্রসব করেছিলেন

৪২ বংশাবলী ২০-২১ পদে আছে রাজা যিহোরাম ৩২ বৎসর বয়সে রাজত্ব আরম্ভ করেন এবং (আট) বৎসর রাজত্ব করার পর মৃত্যু বরন করেন (৩২+=৪০ ) অর্থাৎ ৪০ বৎসর বয়সে তিনি মারা যান কিন্ত পুস্তকেরই ২২ : পদে আছে যিহোরামের মৃত্যুর পর তার কনিষ্ট পুত্র অহসিয় ৪২ বৎসর বয়সে সিংহাসনে আরোহন করেন

৪৩ বংশাবলী : পদে আছে বিণ্যামীন এর তিনপুত্র বেলা, যিদীয়েল বেখর , কিন্ত :- পদে আছে বিন্যামীনের পাঁচপুত্র, বেলা , অসবেল, অর্হহ, নোহা রাফা

৪৪ বংশাবলী , : পদে বলা হয়েছে বেলার পুত্র , ইষবোন, উষি , উষীয়েল, যিরেমোৎ, ঈরী , কিন্ত : - পদে উলে¬ আছে , বেলার পুত্র জন (গেরা নামে ২জন ধরে) অদ্দর, গেরা, অবীহুদ, অবীশুয়, নামান, আহোহ, গেরা, শফুফন, হুরন

৪৫ যাত্রাপুস্তকে বলা হয়েছে (:১৮ পদে) মোশীর (মুসা আঃ) শশুরের নাম রূয়েল, আবার পু¯তকেরই : পদে উলে¬ করা হয়েছে মোশীর শশুর এর নাম যিত্রো

৪৬ সদা প্রভূ ঈশ্বরের মিথ্যা কথন  (?) - “আর সদাপ্রভূ ঈশ্বর আদমকে এই আজ্ঞা দিলেন, তুমি এই উদ্যানের সমস্ত বৃক্ষের ফল স্বচ্ছন্দে ভোজন করিও ; কিন্তু সদসদ জ্ঞান দায়ক যে বৃক্ষ, তাহার ফল ভোজন করিও না, কেন না যে দিন তাহার ফল খাইবে, সেইদিন মরিবেই মরিবে” (আদিপুস্তক : ১৬, ১৭) কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে সদাপ্রভূর এই বাক্য সরাসরি মিথ্যা প্রমানিত হল আদম আঃ বৃক্ষের ফল খেলেন কিন্তু সেই দিন মারা গেলেন না উপরন্তু মোট ৯৩০ বৎসর বেঁচে ছিলেন (আদিপুস্তক : )

৪৭  ঈশ্বরের আর এক মিথ্যা কথন (?) -“ সদাপ্রভূ কহিলেন আমার আত্মা মনুষ্যদের মধ্যে নিত্য অধিষ্ঠান করিবে না, তাহাদের বিপথ গমনে তাহারা মাংস মাত্র; পরন্তু, তাহাদের সময় (হায়াত বা পরমায়ু) একশত বিংশতি বৎসর হইবেকিন্তু সদাপ্রভূর এই ঘোষনার পরেও দেখা যায় শেম (নূহ এর পুত্র ) ৫০০ বৎসর, ‘অর্ফকষদ’ (শেম এর পুত্র) ৪৩৮ বৎসর, শেলহ (অর্ফকষদ এর পুত্র) ৪৩৩ বৎসর , এবর (শেলহ এর পুত্র ) ৪৬৪ বৎসর, পেলগ (এবর এর পুত্র) ২৩৯ বৎসর , রিয়ু (পেলগ এর পুত্র ) ২৩৯ বৎসর, সরূগ (রিয়ু পুত্র) ২৩০ বৎসর, নাহোর (সরূগ এর পুত্র) ১৪৮ বৎসর বয়স প্রাপ্ত হন ( আদিপুস্তক ১১: ১০ - ২৫)

৪৮ মাতা মেরীর স্বামী যোসেফের পিতার নাম কিমথি : ১৬ অনুসারে যেকব, লুক : ২৩ অনুসারে এলী

৪৯  দাউদ (আঃ) এর কোন পুত্র যিশুর (ঈসা আঃ এর) পূর্বপুরুষ ?                                                                     মথি : অনুসারে শলোমন, কিন্তু লুক : ৩১ অনুযায়ী নাথন

৫০ শলটিয়েল এর পিতার নাম কিমথি : ১২ অনুযায়ী যিকনীয়, আর লুক : ২৭ অনুসারে নেরী

৫১ সরুব্বাবিল এর কোন পুত্র যিশুর (ঈসা আঃ এর) পূর্বপুরুষ ? মথি : ১৩ অনুসারে অবিহুদ, কিন্তু লুক : ২৭ অনুযায়ী রেশা আবার - ১বংশাবলী : ১৯ অনুসারে সরুব্বাবিল এর পুত্রদের যে নাম পাওয়া যায় তাদের মধ্যে অবিহুদ রেশা এই দুই নাম পাওয়া যায় না

৫২  উষিয় এর পিতার নাম কি ? মথি : অনুসারে যোরাম , কিন্তু বংশাবলি ২৬ : অনুসারে আমাজিয়া

৫৩  যিকনিয়ের পিতার নাম কিমথি : ১১ অনুসারে যোশিয় , কিন্তু    বংশাবলি : ১৬ অনুসারে যিহোয়াকীম

৫৪  ব্যবিলনে নির্বাসন থেকে যিশু পর্যন্ত কয় পুরুষ ? মথি : ১৭ অনুসারে ১৪ পুরুষ, তবে ভাল ভাবে গুনে দেখলে দেখা যাবে ১৩ পুরুষ, মথি : ১২ - ১৬ পর্যন্ত দ্রষ্টব্য

৫৫  শেলার পিতার নাম কিলুক : ৩৫-৩৬ অনুসারে কাইনান, কিন্তু আদিপুস্তক ১১: ১২ অনুসারে অর্ফকষদ তার পিতা

৫৬  যে এলিয়ের আগমন হইবে যোহন (ব্যাপ্তাইজক) কি সেই ব্যক্তি ?                                                                    মথি ১১: ১৪ অনুসারে হ্যাঁ যোহন : ১৯-২১ অনুযায়ী না

৫৭ যিশু কি প্রকৃত পক্ষে দাউদের সিংহাসনের উত্তরাধিকারীলুক : ৩০-৩২ অনুসারে হ্যাঁ , কারন স্বর্গীয় দূতরা সেকথাই মরিয়ম কে বলেছিলেন কিন্তু মথি : ১১, বংশাবলী : ১৬ এবং যিরমিয় ৩৬ :৩০ অনুযায়ী যিশু দাউদের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হতে পারেন না কারন - মথি : ১১ লেখা হয়েছে যোশিএর সন্তান যিকনিয়, আবার বংশাবলী : ১৬ তে লেখা হয়েছে যিকনিয় যিহোয়াকীমের পুত্র, আর যিরমিয় ৩৬ :৩০ লেখা এই যে -‘অতএব যিহুদা-রাজ যিহোয়াকীমের বিষয়ে সদাপ্রভু এইকথা কহেন, দাউদের সিংহাসনে উপবেশন করিতে তাহার কেহ থাকিবে না

আদিপুস্তক ৩৮ : -৩০ এর মধ্যে দেখা যায় যিহুদা, যার নাম অনুসারে ইহুদী ধর্ম নাম হয়েছে - পুত্রের মৃত্যুর পর আপন পুত্রবধু তামর এর গর্ভে তাঁর ঔরসে দুইজন সন্তান জন্মগ্রহন করে তাদের একজন পেরস অপর জনের নাম সেরহ মথি : এবং লুক : ৩৩ অনুসারে যিহুদা এবং পেরস হলেন যীশুর পূর্বপুরুষ অথচ দ্বিতীয় বিবরন ২৩: অনুসারে দেখা যায় -‘জারজ ব্যক্তি সদাপ্রভুর সমাজে প্রবেশ করিবে না ; তাহার দশম পুরুষ পর্যন্তও সদাপ্রভুর সমাজে প্রবেশ করিতে পারিবে না’ 

৫৮ কয়টি পশুর পিঠে চড়ে যিশু যিরূসালেম উপস্থিত হনমার্ক ১১: অনুসারে একটি পশুর পিঠে চড়ে : পরে তাহারা সেই গর্দ্দভ শাবককে যীশুর নিকটে আনিয়া তাহার উপর আপনাদের কাপড় পাতিয়া দিলেন ; আর তিনি তাহার উপর বসিলেন        কিন্তু মথি ২১: অনুসারে দেখা যায় দুইটি পশুর পিঠে চড়ে -‘পরে শিষ্যেরা গিয়া যীশুর আজ্ঞা অনুসারে কার্য করিলেন গর্দ্দভীকে শাবকটিকে আনিলেন এবং তাহাদের উপর আপনাদের বস্ত্র পাতিয়া দিলেন আর তিনি তাহাদের উপর বসিলেন

৫৯ শিমোন পিটার কি ভাবে জানলেন যে যীশুই খৃষ্ট ?                                                                                  মথি ১৬ : ১৬ -১৭ অনুসারে- ঈশ্বরই তাঁকে তা জানান, ‘ শিমোন পিতর উত্তর করিয়া কহিলেন, আপনি সেই খৃষ্ট, জীবন্ত ঈশ্বরের পুত্র যীশু উত্তর করিয়া তাহাকে কহিলেন, হে যোনার পুত্র শিমোন, ধন্য তুমি কেননা রক্ত মাংস তোমার নিকটে ইহা প্রকাশ করে নাই, কিন্তু আমার স্বর্গস্থ পিতা প্রকাশ করিয়াছেনআবার যোহন : ৪১ অনুসারে দেখা যায় - শিমোনের ভাই আন্দ্রিয় শিমোন কে এটি জানান -‘যোহনের কথা শুনিয়া যে দুইজন যীশুর পশ্চাৎ গমন করিয়া ছিলেন, তাহাদের মধ্যে একজন শিমোন পিতরের ভ্রাতা আন্দ্রিয় তিনি প্রথমে আপন ভ্রাতা শিমোনের দেখা পান, আর তাহাকে বলেন আমরা মশীহের দেখা পাইয়াছি - অনুবাদ করিলে ইহার অর্থ খ্রীষ্ট (অভিষিক্ত)

৬০ যায়ীরাস যখন যীশুর কাছে আসলেন তখন তার মেয়েটি কি সত্যিই মারা গিয়েছিল ? মথি : ১৮ অনুসারে দেখা যায় মারা গিয়েছিল - ‘আর দেখ একজন অধ্যক্ষ আসিয়া তাহাকে প্রনাম করিয়া কহিলেন, আমার কন্যাটি এতক্ষন মরিয়া গিয়াছে, কিন্তু আপনি আসিয়া তাহার উপর হস্তার্পন করুন, তাহাতে সে বাঁচিবে’  আবার মার্ক : ২৩ অনুসারে দেখা যায় - সে মরে নাই তবে অসুস্থ ছিল- ‘ অনেক বিনতি করিয়া কহিলেন, আমার মেয়েটি মারা যায়, আপনি আসিয়া তাহার উপর হস্তার্পন করুন, যেন সে সুস্থ হইয়া বাঁচে

৬১ প্রচার কাজে যাওয়ার সময়ে যীশু তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে কিছু নেওয়ার জন্য অনুমতি দিয়েছিলেন কি ?                            মার্ক : অনুসারে হ্যাঁ - ‘ আর আজ্ঞা করিলেন তোমরা যাত্রার জন্য এক এক যষ্ঠি (লাঠি) ব্যতিরেকে আর কিছু লইও না              কিন্তু মথি ১০: লুক : অনুযায়ী দেখা যায় যে লাঠি নিতেও নিষেধ করেছিলেন - ‘তোমাদের গেঁজিয়ায় স্বর্ন কি রৌপ্য কি পিত্তল এবং যাত্রার জন্য থলি কি দুইটা আঙরাখা কি পাদুকা কি যষ্ঠি, সকলের আয়োজন করিওনা

৬২ হেরোদ কি মনে করেছিলেন যে যোহন (ব্যাপ্তাইজক) যীশু ?                                                                     মথি ১৪: -, মার্ক : ১৬ অনুসারে দেখা যায় হ্যাঁ কিন্তু লুক : অনুসারে দেখা যায় না

৬৩  যোহন (ব্যাপ্তাইজক) কি  ব্যাপ্তাইজ এর আগে যীশুকে চিনতে পেরেছিলেন ? মথি : ১৩ - ১৪ অনুসারে হ্যাঁ আর যোহন : ৩২ -৩৩ অনুযায়ী না

৬৪ যোহন (ব্যাপ্তাইজক) কি ব্যাপ্তাইজ এর পরে যীশুকে চিনতে পেরেছিলেনযোহন : ৩২ -৩৩ অনুযায়ী হ্যাঁ এবং  মথি ১১: অনুসারে না

৬৫ যোহনের গসপেল অনুসারে যীশু তাঁর নিজের ব্যাপারে নিজের সাক্ষ্য সম্বন্ধে কি বলেছেন ?                                    যোহন : ৩১অনুসারেআমি যদি আপনার বিষয়ে আপনি সাক্ষ্য দিই, তবে আমার সাক্ষ্য সত্য নয়আবার যোহন : ১৪ তে বলেছেন :‘ যীশু উত্তর করিয়া তাহাদিগকে কহিলেন, যদিও আমি আপনার বিষয়ে আপনি সাক্ষ্য দিই, তথাপি আমার সাক্ষ্য সত্য

৬৬ যীশু যে দিন যিরূসালেম এর ধর্মমন্দিরে প্রবেশ করলেন সেই দিনই কি ধর্মমন্দির পরিষ্কার করে ছিলেনমথি ২১: ১২ অনুযায়ী হ্যাঁ  ; কিন্তু মার্ক ১১: -১৭ অনুসারে না; তবে তার পরদিন তিনি ধর্মমন্দির পরিষ্কার করে ছিলেন

৬৭ গসপেল অনুসারে দেখা যায় যীশু একটি ডুমুর গাছকে অভিশাপ দিয়েছিলেন গাছটি কি সঙ্গে সঙ্গে সেইদিন শুকিয়ে   গিয়েছিলমথি ২১: ১৯ অনুযায়ী হ্যাঁ ; কিন্তু মার্ক ১১: ২০ অনুসারে না , গাছটি পর দিন শুকিয়ে ছিল

৬৮ যুডাস কি ধরিয়ে দেওয়ার আগে যীশুকে চুম্বন করে ছিলমথি ২৬: ৪৯-৫০ অনুযায়ী হ্যাঁকিন্তু যোহন ১৮: -১২ অনুসারে না

৬৯ পিটারের তাঁকে অস্বীকার করার ব্যাপারে যীশু পিটারকে কি বলেছিলেনযোহন ১৩: ৩৮ অনুসারে যীশু পিটারকে বলেছিলেন :‘ সত্য সত্য আমি তোমাকে বলিতেছি যাবৎ তুমি তিনবার আমাকে অস্বীকার না কর তাবৎ কুকুড়া ডাকিবে নাকিন্তু মার্ক ১৪: ৩০ অনুসারে দেখা যায় তিনি পিটারকে বলেছিলেনআমি তোমাকে কহিতেছি, তুমিই আজ, এই রাত্রিতে, কুকুড়া দুইবার ডাকিবার পূর্বে তিনবার আমাকে অস্বীকার করিবেতবে মার্ক ১৪: ৬৮ দেখা যায় পিটার  যীশুকে একবার অস্বীকার করার সাথে সাথেকুকুড়াডেকে উঠল অতএব ভবিষ্যতবাণী ব্যর্থ

৭০ যীশু কি নিজের ক্রস নিজে বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন ?   যোহন ১৯: ১৭ অনুযায়ী হ্যাঁ, কিন্তু মথি ২৭ : ৩২ অনুসারে না,:‘ আর বাহির হইয়া তাহারা শিমোন নামে এক কুরীণীয় লোকের দেখা পাইল, তাহাকেই তাঁহার ক্রুশ বহন করিবার জন্য বেগার ধরিলমার্ক ১৫: ২১ এতেও যীশুর ক্রুস শিমোন এর ক্রুশ বহন করার কথা লেখা আছে

৭১ যিরূসালেম এর ধর্মমন্দিরের পরদা (তিরষ্করিণী) ছিঁড়ে যাওয়ার পর কি ক্রুসে যীশুর মৃত্যু হয়ে ছিল ? মথি ২৭: ৫০-৫১ এবং মার্ক ১৫: ৩৮ অনুযায়ী না, এর আগেই যীশুর মৃত্যু হয়েছিল, কিন্তু লুক ২৩ : ৪৫-৪৬ অনুসারে ধর্মমন্দিরের পরদা (তিরষ্করিণী) ছিঁড়ে যাওয়ার পর ক্রুসে যীশুর মৃত্যু হয়ে ছিল

৭২ যীশু কি কোন কথা তাঁর শিষ্যদের কাছে বা সাধারন মানুষের কাছে গোপন করতেন ? যোহন ১৮: ২০ অনুযায়ী না - যীশু তাহাকে উত্তর করিলেন,আমি স্পষ্টরূপে জগতের কাছে কথা কহিয়াছি ; আমি সর্ব্বদা সমাজগৃহে ধর্ম্মধামে শিক্ষা দিয়াছি, যেখানে যিহুদীরা সকলে একত্রিত হয়, গোপনে কিছু কহি নাই’  তবে মার্ক : ৩৪ এবং মথি ১৩: ১০-১১ দেখা যায় : ‘ আর এই প্রকার অনেকগুলি দৃষ্টান্ত দ্বারা তিনি তাহাদের শুনিবার ক্ষমতা অনুসারে তাহাদের কাছে বাক্য প্রচার করিতেন; আর দৃষ্টান্ত ব্যতিরেকে তাহাদিগকে কিছুই বলিতেন না; পরে বিরলে আপন শিষ্যদিগকে সমস্ত বুঝাইয়া দিতেনএবংতিনি উত্তর করিয়া কহিলেন, স্বর্গরাজ্যের নিগূঢ় তত্ত্ব সকল তোমাদিগকে জানিতে দেওয়া হইয়াছে, কিন্তু তাহাদিগকে দেওয়া হয় নাই..  ..  .. এইজন্য আমি তাহাদিগকে দৃষ্টান্ত দ্বারা কথা বলিতেছি, কারন তাহারা দেখিয়াও দেখেনা, শুনিয়াও শুনেনা এবং বুঝেও না

৭৩ তাঁর ক্রুসবিদ্ধ হওয়ার দিনে ৬ষ্ঠ ঘণ্টার কালে যীশু কোথায় ছিলেন ? মার্ক ১৫: ২৪-২৬ অনুসারে ক্রুসের উপর কিন্তু যোহন ১৯: ১৪ অনুযায়ী পিলাত এর কোর্টে

৭৪ গসপেল গুলিতে উল্লেখ রয়েছে যে যীশুর সঙ্গে দুইজন দস্যুকেও ক্রুসে চড়ানো হয়, তাদের দুইজন কি যীশুকে ব্যঙ্গ করেছিলমার্ক ১৫: ৩২ অনুযায়ী তারা দুজনেই যীশুকে ব্যঙ্গ করেছিল কিন্তু লুক ২৩: ৪৩ অনুসারে তাদের একজন যীশুকে ব্যঙ্গ করেছিল, অপর জন যীশুর পক্ষ অবলম্বন করে কথা বলেছিল

৭৫ যীশু কি তাঁর ক্রুশ বিদ্ধ হওয়ার দিনেই স্বর্গারোহন করেছিলেনলুক ২৩: ৪৩ অনুসারে হ্যাঁ - ‘ আমি তোমাকে সত্য বলিতেছি, অদ্যই তুমি পরম দেশে আমার সঙ্গে উপস্থিত হইবে’  কিন্তু যোহন ২০: ১৭ অনুযায়ী না ; -‘যীশু তাঁহাকে (ºলীনী মরিয়ম কে ) কহিলেন, আমাকে স্পর্শ করিও না, কেননা এখনও আমি উর্দ্ধে পিতার নিকটে যাই নাই

৭৬ দম্মেশকে যাওয়ার পথে পল যখন এক তীব্র আলোক দেখলেন এবং এক বাণী শুনলেন তখন তাঁর সহযাত্রীরা এই বাণী শুনতে পেয়েছিলেন কিপ্রেরিত : অনুসারে হ্যাঁ,-‘ আর তাহার সহ পথিকেরা অবাক হইয়া দাঁড়াইয়া রহিল, তাহারা বাণী শুনিল বটে কিন্তু কাহাকেও দেখিতে পাইল নাআবার প্রেরিত ২২: অনুসারে না - ‘ আর যাহারা আমার সঙ্গে ছিল, তাহারা সেই আলো দেখিতে পাইল বটে, কিন্তু যিনি আমার সঙ্গে কথা কহিতেছিলেন, তাঁহার বাণী শুনিতে পাইল নাস্বাক্ষ্য বঠে

৭৭ দম্মেশকে যাওয়ার পথে পল যখন এক তীব্র আলোক দেখলেন এবং এক বাণী শুনলেন তখন তিনি ভুমিতে পড়ে গিয়েছিলেন, তাঁর সহযাত্রীরাও কি ভুমিতে পড়ে গিয়েছিলেন ?                                                                                      প্রেরিত ২৬: ১৪ অনুসারে হ্যাঁ,- ‘ দেখিলাম, আকাশ হইতে সূর্যতেজ অপেক্ষাও তেজোময় জ্যোতি আমার আমার সহযাত্রীদের চারিদিকে দেদীপ্যমান তখন আমরা সকলে ভুমিতে পতিত হইলে আমি এক বাণী শুনিলামকিন্তু প্রেরিত : - অনুসারে  না , তিনি একাই ভুমিতে পড়ে গিয়েছিলেন ,-‘ হঠাৎ আকাশ হইতে আলোক তাঁহার চারিদিকে চমকিয়া উঠিল তাহাতে তিনি ভূমিতে পড়িয়া শুনিলেন, তাহার প্রতি এই বানী হইতেছে..  ..’  

৭৮ পল কে কি করতে হবে তার নির্দেশ কি তখনই তাঁকে দেওয়া হয়ে ছিল ?   প্রেরিত : অনুসারে - না, -‘প্রভু কহিলেন, আমি যীশু যাঁহাকে তুমি তাড়না করিতেছ ; কিন্তু উঠ, নগরে প্রবেশ কর, তোমাকে কি করিতে হইবে, তাহা বলা যাইবেআর প্রেরিত ২৬: ১৬-১৮ অনুসারে হ্যাঁ,- কি করতে হবে তার নির্দেশ সঙ্গে সঙ্গে তখনই তাঁকে দেওয়া হয়ে ছিল-‘ ‘প্রভু কহিলেন, আমি যীশু যাঁহাকে তুমি তাড়না করিতেছ ; কিন্তু উঠ, তোমার পায়ে ভর দিয়া দাঁড়াও, তািম যে যে বিষয়ে আমাকে দেখিয়াছ, যে যে বিষয়ে আমি তোমাকে দর্শন দিব, সেই সকল বিষয়ে যেন তোমাকে সেবক স্বাক্ষী নিযুক্ত করি, এই অভিপ্রায়ে তোমাকে দর্শন দিলাম আমি যাহাদের নিকট তোমাকে প্রেরন করিতেছি সেই প্রজা লোক দের পরজাতীয় লোকদের হইতে তোমাকে উদ্ধার করিব, যেন তুমি তাহাদের চক্ষু খুলিয়া দেও, যেন তাহারা অন্ধকার হইতে জ্যোতির প্রতি এবং শয়তানের কর্তৃত্ব হইতে ঈশ্বরের প্রতি ফিরিয়া আইসে, যেন আমাতে বিশ্বাস করণ দ্বারা পাপের মোচন পবিত্রকৃত লোকদের মধ্যে অধিকার প্রাপ্ত হয়

৭৯    সিট্টিমে বসত কালে ইস্রায়েলীয়রা মোয়াবের কন্যাদের সম্ভ্রম নষ্ট করে, এতে ঈশ্বর ক্রুদ্ধ হয়ে ইস্রায়েলীয়দের উপর এক মহামারী দেন এতে কত লোকের মৃত্যু হয়েছিল ? গননাপুস্তক ২৫: অনুসারে -‘যাহারা মারীতে মরিয়াছিল, তাহারা চব্বিশ সহস্র লোক করিন্থীয় ১০: অনুসারে তাদের সংখ্যা ছিল ২৩০০০আর যেমন তাহাদের মধ্যে কতক লোক ব্যভিচার করিয়াছিল এবং একদিনে তেইস হাজার লোক মারা পড়িল আমরা যেন তেমনি ব্যভিচার না করি

৮০ যাকব (ইয়াকুব আঃ) এর বাড়ীর কত সংখ্যক লোক মিশরে ইউসুফ আঃ এর কাছে এসেছিলেন ? আদিপুস্তক : ২৭ অনুযায়ী ৭০ জন ব্যক্তি আর প্রেরিত : ১৪ অনুসারে পঁচাত্তর জন

৮১ বিশ্বাসঘাতক যুডাস যীশুকে ধরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে যে অর্থ লাভ করেছিল তার দ্বারা সে কি করেছিল ? প্রেরিত : ১৮ অনুসারে সে এই অর্থ দ্বারা একটি ক্ষেত কিনেছিলসে অধর্মের বেতন দ্বারা একখানা ক্ষেত্র লাভ করিল; এবং অধোমুখে ভুমিতে পতিত হইলে তাহার উদর ফাটিয়া যাওয়াতে নাড়ীভুড়ী সকল বাহির হইয়া পড়িলকিন্তু মথি ২৭: দেখা যায় -‘ তখন সে মুদ্রা সকল মন্দিরের মধ্যে ফেলিয়া দিয়া চলিয়া গেল, গিয়া গলায় দড়ি দিয়া মরিল

৮২  বিশ্বাসঘাতক যুডাস মারা যায় কি ভাবেমথি ২৭: দেখা যায়- সে গলায় দড়ি দিয়া মারা যায় আর  প্রেরিত : ১৮ অনুসারে সে অধোমুখে ভুমিতে পড়ে, তার পেঠ ফেটে যাওয়াতে নাড়ীভুড়ী বের হয়ে মারা যায়

৮৩  যুডাস যীশুকে ধরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে যে অর্থ লাভ করেছিল তার দ্বারা যে ক্ষেত্র সে বা যাজকরা কিনেছিল (কে কিনেছিল এখানেও পরষ্পর বিরোধিতা রয়েছে) কেন ক্ষেত্রকে রক্তক্ষেত্র বা হকলদামা বলেমথি ২৭: দেখা যায়- ‘প্রধান যাজকরা সেইসকল মুদ্রা লইয়া কহিল, ইহা ভান্ডারে রাখা বিধেয় নয়, কারন ইহা রক্তের মূল্য পরে তাহারা মন্ত্রনা করিয়া বিদেশীদের কবর দিবার জন্য টাকায় কুম্ভকারের ক্ষেত্র ক্রয় করিল এইজন্য অদ্য পর্যন্ত সেইক্ষেত্রকে রক্তক্ষেত্র বলেআর প্রেরিত : ১৮-১৯ অনুসারে দেখা যায় -‘ সে অধর্মের বেতন দ্বারা একখানা ক্ষেত্র লাভ করিল; এবং অধোমুখে ভুমিতে পতিত হইলে তাহার উদর ফাটিয়া যাওয়াতে নাড়ীভুড়ী সকল বাহির হইয়া পড়িল; আর যিরূসালেম নিবাসী সকল লোকে তাহা জানিতে পারিয়াছিল, সেইজন্য তাহাদের ভাষায় ক্ষেত্র হকলদামা অর্থাৎ রক্তক্ষেত্র নামে আখ্যাত

৮৪ কে কার মুক্তির মূল্য স্বরূপ ? মার্ক ১০: ৪৫ অনুযায়ী -‘ কারন বাস্তবিক মনুষপুত্রও পরিচর্যা পাইতে আসেন নাই, কিন্তু পরিচর্যা করিতে এবং অনেকের পরিবর্তে আপন প্রান মুক্তির মূল্য রূপে দিতে আসিয়াছেন (এখানে অনেকের কথা বলা হয়েছে কিন্তু সকলের কথা বলা হয়নি আবার তীমথিয় দেখা যায় -‘ তিনি মনুষ্য, খৃষ্ট যীশু, তিনি সকলের নিমিত্ত মুক্তির মূল্য রূপে আপনাকে প্রদান করিয়াছেন’ ( এখানে সকলের নিমিত্ত) আবার হিতোপদেশ ২২: ১৮ তে উল্লেখিত হয়েছে-‘ দুষ্ট ধার্মিকদের মুক্তির মূল্য স্বরূপ, বিশ্বাসঘাতক সরলদের পরিবর্ত্ত স্বরূপ

৮৫  মুসা (আঃ) এর বিধান আসলে বাইবেলে কি প্রয়োজনীয় বলে বলা হয়েছে ? তীমথিয় : ১৬ এর মধ্যে বলা হয়েছে -       ‘ ঈশ্বর-নিশ্বসিত প্রত্যেক শাস্ত্রলিপি আবার শিক্ষার, অনুযোগের, সংশোধনের, ধার্ম্মিকতা সম্বন্ধীয় শাসনের নিমিত্ত উপকারী, যেন ঈশ্বরের লোক পরিপক্ব, সমস্ত সৎকর্মের জন্য সুসজ্জী-ভূত হয়ঈশা (আঃ) এর নিজের কথায় -‘  মনে করিও না যে, আমি ব্যবস্থা কি ভাববাদীগ্রন্থ লোপ করিতে আসিয়াছি; আমি লোপ করিতে আসি নাই কিন্তু পূর্ণ করিতে আসিয়াছি কেননা আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, যে পর্যন্ত আকাশ পৃথিবী লুপ্ত না হইবে সে পর্যন্ত ব্যবস্থার একমাত্রা কি এক বিন্দুও লুপ্ত হইবে না, সমস্তই সফল হইবে অতএব যে কেহ এই সকল ক্ষুদ্রতম আজ্ঞার মধ্যে কোন একটি আজ্ঞা লঙ্ঘন করে, লোকদিগকে সেইরূপ শিক্ষা দেয়, তাহাকে স্বর্গরাজ্যে অতি ক্ষুদ্র বলা যাইবে; কিন্তু যে কেহ সে সকল পালন করে শিক্ষাদেয়, তাহাকে স্বর্গরাজ্যে মহান বলা যাইবে’ (মথি : ১৭-১৯)     অথচ ইব্রীয় : ১৮ তে বলা হয়েছে-‘ কারন একপক্ষে পূর্বকার বিধির দূর্বলতা নিষ্ফলতা প্রযুক্ত তাহার লোপ হইতেছে-কেননা ব্যবস্থা কিছুই সিদ্ধ করে নাই-পক্ষান্তরে এমন এক শ্রেষ্ঠ প্রত্যাশা আনা হইতেছে, যদ্বারা আমরা ঈশ্বরের নিকটে উপস্থিত হইইহা ঈশা (আঃ) এর কথা নয় বরং পল এর কথা

৮৬ ক্রুসের উপরে আসলে কি লেখা ছিল ? মথি ২৭: ৩৭ - ‘ ব্যক্তি যীশু, যিহুদীদের রাজা’, মার্ক ১৫: ২৬ -‘ যিহুদীদের রাজা’, লুক ২৩: ৩৮ -‘ ব্যক্তি যিহুদীদের রাজা’, এবং যোহন ১৯: ১৯ নাসরতীয় যীশু, যিহুদীদের রাজা

৮৭ হেরোদ কি যোহন (ব্যাপ্তাইজক) কে হত্যা করতে চেয়ে ছিলেনমথি ১৪; অনুসারে হ্যাঁ - ‘আর তিনি তাহাকে বধ করিতে ইচ্ছা করিলেও লোক সমূহকে ভয় করিতেন, কেননা লোকে তাঁহাকে ভাববাদী বলিয়া মানিত’, আবার মার্ক : ২০ অনুসারে - ‘হেরোদ যোহন কে ধার্ম্মিকও পবিত্র লোক জানিয়া ভয় করিতেন তাঁহাকে রক্ষা করিতেন আর তাহার কথা শুনিয়া তিনি অতিশয় উদ্বিঘœ হইতেন এবং তাহার কথা শুনিতে ভালবাসিতেন’ 

৮৮ যীশুর বারজন শিষ্যের তালিকায় দশম শিষ্য কে ছিলেনমথি ১০: - এবং মার্ক : ১৩-১৯ অনুযায়ী তাঁর নাম ছিল থাদ্দাউস কিন্তু লুক : ১২-১৬ অনুসারে দেখা যায় শিষ্যের নাম ছিল যাকোব বা জেমস এর পুত্র যিহুদা

৮৯  যীশু করগ্রাহীদের স্থানে একজনকে দেখে তাঁর শিষ্য হওয়ার জন্য আহ্বান করলেন, সেই ব্যক্তির নাম কি ছিলমথি : অনুসারে তাঁর নাম ছিল মথি, কিন্তু মার্ক :১৪ এবং লুক : ২৭ অনুসারে তাঁর নাম ছিল লেবী

৯০ যে দিন যীশু ক্রুস বিদ্ধ হন সেদিনটি কি ছিল নিস্তারপর্ব্বের ভোজ এর আগে (নিস্তারপর্ব্বের ভোজ রাত্রে হয়ে থাকে) অথবা তার পরে ?                                                                                                                                      মার্ক ১৪ : ১৬-১৮ এর মধ্যে দেখা যায়পরে’,-‘ তিনি যেরূপ বলিয়াছিলেন সেরূপ দেখিতে পাইলেন; পরে তাঁহারা নিস্তারপর্ব্বের ভোজ প্রস্তুত করিলেন পরে সন্ধ্যা হইলে তিনি সেই বার জনের সহিত উপস্থিত হইলেন তাঁহারা বসিয়া ভোজন করিতেছেন এমন সময়ে যীশু বলিলেন, আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি তোমাদের একজন আমাকে সমর্পন করিবে..  ..(২৬) পরে তাহারা গীতবাদ্য করিয়া বাহির হইয়া জৈতুন পর্ব্বতে গেলেন..  .. (৩২) পরে তাঁহারা গেৎশিমানী নামক এক স্থানে আসিলেন.. ..    (৪৩) আর তিনি যখন কথা কহিতেছিলেন, তৎক্ষণাৎ যিহুদা সেই বার জনের একজন আসিল এবং তাহার সঙ্গে অনেক লোক .. ..’

কিন্তু যোহন দেখাযায় যে ঘটনাটি নিস্তার পর্ব্বের পূর্বে

যোহন ১৩: -‘ নিস্তার পর্ব্বের পূর্বে যীশু, এই জগৎ হইতে পিতার কাছে আপনার প্রস্থান করিবার সময় উপস্থিত জানিয়া, জগতে অবস্থিত আপনার নিজস্ব যে লোক দিগকে প্রেম করিতেন, তাহাদিগকে শেষ পর্যন্ত প্রেম করিলেন  ১৩: ২১ যীশু আত্মাতে উদ্বিঘœ হইলেন, আর সাক্ষ্য দিয়া কহিলেন, সত্য সত্য আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, তোমাদের মধ্যে একজন আমাকে সমর্পণ করিবে বিশ্বাসঘাতক যুডাস যখন যীশুকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য বাইরে যায় অন্যান্য শিষ্যরা তখন মনে করে ছিলেন যে সে নিস্তার পর্ব্বের ভোজের জন্য সম্ভবতঃ কিছ ুকিনতে যাচ্ছে ১৩: ২৯ যিহুদার কাছে টাকার থলী থাকাতে কেহ কেহ মনে করিলেন, যীশু তাহাকে বলিলেন, পর্ব্বের নিমিত্ত যাহা যাহা আবশ্যক কিনিয়া আন, কিম্বা সে যেন দরিদ্র দিগকে কিছু দেয় ১৮: ২৮ পরে লোকেরা যীশুকে কায়াফার নিকট হইতে রাজবাটীতে লইয়া গেল; তখন প্রত্যুষ কাল ; আর তাহারা যেন অশুচি না হয়, কিন্তু নিস্তারপর্ব্বের ভোজ ভোজন করিতে পারে, এইজন্য আপনারা রাজবাটীতে প্রবেশ করিল না ১৯: ১৪ সেই দিন নিস্তারপর্ব্বের আয়োজন দিন, বেলা অনুমান ছয় ঘটিকা পীলাত যিহুদিগনকে বলিলেন, দেখ তোমাদের রাজা তাহাতে তাহারা চেঁচাইয়া কহিল, দূর কর, দূর কর, উহাকে ক্রুশে দেও

৯১ যীশু ক্রুসের থেকে বাঁচানোর জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন কিহ্যাঁ, মথি ২৬: ৩৯, ৪২, ৪৪ মার্ক ১৪: ৩৬ অনুসারে তিনি ক্রুসের থেকে বাঁচানোর জন্য ঈশ্বরের কাছে তিনবার প্রার্থনা করেছিলেন এবং লুক ২২: ৪২ এর অনুসারে একবার মাত্র প্রান বাঁচানোর জন্য প্রার্থনা করেছিলেন মথি ২৬: ৩৯-‘ তিনি কিঞ্চিৎ অগ্রে গিয়া উবুড় হইয়া পড়িয়া প্রার্থনা করিয়া কহিলেন, হে আমার পিতঃ, যদি হইতে পারে তবে এই পানপাত্র আমার নিকট হইতে দূরে যাউক, তথাপি আমার ইচ্ছা মত না হউক, তোমার ইচ্ছামত হউকমথি ২৬: ৪২-‘ পুনশ্চ তিনি দ্বিতীয় বার গিয়া এই প্রার্থনা করিলেন, হে আমার পিতঃ, আমি পান না করিলে যদি ইহা দূরে যাইতে না পারে, তবে তোমার ইচ্ছা পূর্ন হউকমথি ২৬: ৪৪-‘ তিনি পুনরায় তাহাদিগকে ছাড়িয়া গিয়া তৃতীয়বার পূর্ব্বমত কথা বলিয়া প্রার্থনা করিলেনলুক ২২: ৪২ - ‘ বলিলেন পিতঃ, যদি তোমার অভিমত হয় আমা হইতে এই পান পাত্র দূর কর; তথাপি আমার ইচ্ছা নয়, তোমারই ইচ্ছা সিদ্ধ হউককিন্তু যোহন ১২ : ২৭ অনুযায়ী,দেখা যায় তিনি শুধু মাত্র বলেছিলেন -‘ এখন আমার প্রান উদ্বিঘœ হইয়াছে ; ইহাতে কি বলিব পিতঃ, এই সময় হইতে আমাকে রক্ষা কর

৯২   যীশু ক্রুসে মারা যাবার সময়েশতপতিকি বলেছিলেন ? লুক ২৩: ৪৭ -‘ যাহা ঘটিল তাহা দেখিয়া শতপতি ঈশ্বরের গৌরব করিয়া কহিলেন, সত্য এই ব্যক্তি ধার্ম্মিক ছিলেনআর মার্ক ১৫: ৩৯ অনুসারে-‘ আর যে শতপতি তাহার সম্মুখে দাঁড়াইয়া ছিলেন, তিনি যখন দেখিলেন যে যীশু এই প্রকারে প্রান ত্যাগ করিলেন, তখন কহিলেন, সত্যই ইনি ঈশ্বরের পুত্র ছিলেন

৯৩ মৃত্যুর আগে যীশু কি বলে ছিলেন ? আর যখন বলেছিলেনঈশ্বর আমার, ঈশ্বর আমার, তুমি কেন আমায় পরিত্যাগ করিয়াছ তখন তা কি ভাষায় বলেছিলেন ?                                                                                                         মথি ২৭: ৪৬ -‘ যীশু উচ্চ রবে চিৎকার করিয়া ডাকিয়া কহিলেন, “ এলী এলী লামা শবক্তানী,”- এই কথাগুলি হিব্র আবার  মার্ক ১৫: ৩৪  দেখা যায় -‘ এলোই, এলোই, লামা শবক্তানী,”- এটি অরামিক ভাষার কথা ঈশা আঃ এর মুখের ভাষা  ছিল অরামিক

লুক ২৩: ৪৬ দেখা যায়-‘ আর যীশু উচ্চ রবে চিৎকার করিয়া কহিলেন, পিতঃ, তোমার হস্তে আমার আত্মা সমর্পন করি; আর এই বলিয়া তিনি প্রান ত্যাগ করিলেনআবার যোহন ১৯: ৩০ অনুসারে -‘ সিরকা গ্রহন করিবার পর যীশু কহিলেন, ‘সমাপ্ত হইলপরে মস্তক নত করিয়া আত্মা সমর্পন করিলেন

৯৪ কফরনাহূমে একজন শতপতি যীশুকে তার দাসকে সুস্থ করার জন্য অনুরোধ করেন শতপতি কি যীশুকে অনুরোধ করার জন্য সশরীরে যীশুর কাছে এসেছিলেনমথি : অনুসারে হ্যাঁ - ‘ আর তিনি কফরনাহূমে প্রবেশ করিলে একজন শতপতি তাঁহার নিকটে আসিয়া বিনতিপূর্ব্বক কহিলেন, হে  প্রভূ আমার দাস গৃহে পক্ষাঘাতে পড়িয়া আছে, ভয়ানক যাতনা পাইতেছেকিন্তু লুক :-  তে দেখা যায়- না  ‘ তখন একজন শতপতির একটি দাস পীড়িত হইয়া মৃতপ্রায় হইয়াছিল, সে তাহার প্রিয়পাত্র ছিল তিনি যীশুর সংবাদ শুনিয়া যিহূদীদের কয়েকজন প্রাচীন কে দিয়া তাঁহার কাছে নিবেদন করিয়া পাঠাইলেন, যেন তিনি আসিয়া তাঁহার দাসকে বাঁচান’ 

৯৫  বাইবেল অনুসারে যীশু ছাড়া আর কেউ কি স্বর্গে আরোহন করতে পেরেছিলেন ? যোহন : ১৩ অনুসারে- নাআর স্বর্গে কেহ উঠে নাই, কেবল যিনি স্বর্গ হইতে নামিয়াছেন, সেই মনুষ্যপুত্র, যিনি স্বর্গে থাকেনকিন্তু রাজাবলী : ১১ অনুসারে - হ্যাঁ-‘ তাঁহার যাইতে যাইতে কথা কহিতেছেন, ইতিমধ্যে দেখ, অগ্নিময় এক রথ অগ্নিময় অশ্বগন আসিয়া তাঁহাদিগকে পৃথক করিল এবং এলিয় ঘূর্ণবায়ুতে স্বর্গে উঠিয়া গেলেন

৯৬ দাউদ(আঃ) যখন ঈশ্বরের মন্দিরে ঢুকে পবিত্র দর্শন-রুটি ভোজন করে ছিলেন তখন মন্দিরের মহাযাজক কে ছিলেন ?       মার্ক : ২৫-২৬ অনুসারে - অবিয়াথর তিনি তাঁহাদিগকে কহিলেন, দাউদ তাহার সঙ্গিরা খাদ্যের অভাবে ক্ষুধিত হইলে তিনি যাহা করিয়াছিলেন, তাহা কি তোমরা কখনও পাঠ কর নাই? তিনি তো অবিয়াথর মহাযাজকের সময়ে ঈশ্বরের গৃহে প্রবেশ করিয়া, যে দর্শন-রুটি যাজকবর্গ ব্যতিরেকেআর কাহারও ভোজন করা বিধেয় নয়, তাহাই ভোজন করিয়াছিলেন, এবং সঙ্গীগনকেও দিয়াছিলেন’  আবার শামুয়েল ২১: - অনুসারে যাজকের নাম ছিল অহীমেলক - ‘ পরে দাউদ অহীমেলক যাজকের নিকটে উপস্থিত হইলেন; .. .. দাউদ অহীমেলক যাজককে কহিলেন..  .. এখন আপনার কাছে কি আছে ? পাঁচ খানা রুটি হউক, কিম্বা যাহা থাকে আমার হাতে দিউন .. .. তখন যাজক তাঁহাকে পবিত্র রুটি দিলেন

৯৭ যিহূদীদের কবর দেওয়ার নিয়ম হিসাবে যীশুকে কবর দেওয়ার প্রাক্কালে তাঁর গায়ে সুগন্ধীদ্রব্য দিয়ে কাপড় জড়ানো হয়েছিল কিনা ? যোহন ১৯: ৩৯-৪০ অনুসারে দেওয়া হয়েছিল -‘ সেই নীকদীমও আসিলেন, গন্ধরসে মিশ্রিত অনুমান পঞ্চাশ সের অগুরু (আগর) লইয়া আসিলেন , তখন তাঁহারা যীশুর দেহ লইয়া যিহূদীদের কবর দিবার রীতি অনুযায়ী সুগন্ধী দ্রব্যের সহিত মসীনার কাপড় দিয়া বাঁধিলেন’   কিন্তু মার্ক ১৬ : - অনুসারে -‘ বিশ্রাম দিন অতীত হইলে পর ºলীনী মরিয়ম, যাকোবের মাতা মরিয়ম এবং শালোমী সুগন্ধী দ্রব্য ক্রয় করিলেন যেন গিয়া তাঁহাকে মাখাইতে পারেন..  .. তাহারা কবরের ভিতরে গিয়া দেখিলেন.. ..তিনি উঠিয়াছেন, এখানে নাই, .. তখন তাঁহারা বাহির হইয়া কবর হইতে পলায়ন করিলেনসুতরাং এখানে দেখা যাচ্ছে তাঁরা সুগন্ধী মাখাতে পারেননি

৯৮ সুগন্ধী দ্রব্য তারা কিনেছিলেন কোন দিনে বা কখন ?                                                                           মার্ক ১৬ : - অনুসারে -‘ বিশ্রাম দিন অতীত হইলে পর ºলীনী মরিয়ম, যাকোবের মাতা মরিয়ম এবং শালোমী সুগন্ধী দ্রব্য ক্রয় করিলেন অর্থাৎ বিশ্রামবারের পরে

আর লুক ২৩ : ৫৪-৫৬ অনুসারে -‘ সেই দিন আয়োজনের দিন, এবং বিশ্রামবারের আরম্ভ সন্নিকট হইতেছিল আর যে স্ত্রীলোকেরা তাঁহার সহিত গ্যালীল হইতে আসিয়াছিলেন, তাঁহারা পশ্চাৎ পশ্চাৎ গিয়া সেই কবর,এবং কি প্রকারে তাঁহার দেহ রাখা যায়, তাহা দেখিলেন; পরে ফিরিয়া গিয়া সুগন্ধী দ্রব্য তৈল প্রস্তুত করিলেনঅর্থাৎ বিশ্রামবারের পূর্বে

৯৯ দিনের কোন সময়ে মহিলারা যীশুর কবরে তাঁর মৃতদেহের খোঁজ করতে গিয়েছিলেনমথি ২৮ : অনুসারে -‘ বিশ্রাম দিন অবসান হইলে, সপ্তাহের প্রথমদিনের ঊষারম্ভেºলীনী মরিয়ম   অন্য মরিয়ম কবর দেখিতে আসিলেনকিন্তু  মার্ক ১৬ : অনুসারে -‘ সপ্তাহের প্রথমদিন তাহারা অতিপ্রত্যূষে, সূর্য উদিত হইলে, কবরের নিকট আসিলেন

১০০ মহিলারা যীশুর কবরের কাছে কি উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন?   মার্ক ১৬ : - এবং  লুক ২৩ : ৫৫-৫৬ অনুসারে - যাতে তাঁরা যীশুর মৃত দেহে সুগন্ধী দ্রব্য মাখাতে পারেন কিন্তু মথি ২৮ : অনুযায়ী শুধু কবর দেখার উদ্দেশ্য নিয়ে -‘ºলীনী মরিয়ম অন্য মরিয়ম কবর দেখিতে আসিলেনআর যোহন ২০: অনুসারে, কোন বিশেষ উদ্দ্যেশ্য নিয়ে নয়, কারন তাঁরা আগেই - ‘সুগন্ধী দ্রব্য তৈলদ্বারা কাপড় বেঁধে গিয়েছিলেন

১০১  যীশুর কবরের মুখে একটা বড় পাথর বসানো ছিল মহিলারা যীশুর কবরের কাছে যখন গেলেন তখন পাথরটি কোথায় ছিল ? মথি ২৮ : -  -‘ºলীনী মরিয়ম অন্য মরিয়ম কবর দেখিতে আসিলেন আর দেখ মহা ভূমিকম্প হইল; কেননা প্রভূর এক দূত স্বর্গ হইতে নামিয়া আসিয়া সেই পাথর খানা সরাইয়া দিলেন, এবং তাহার উপরে বসিলেনঅর্থাৎ মথি , ºলীনী মরিয়ম অন্য মরিয়ম কে স্বর্গ-দূত দ্বারা পাথরটি সরানোর চাক্ষুস স্বাক্ষী বানিয়েছেন আর মার্ক ১৬:   এবং লুক ২৪: - অনুসারে দেখা যায় -‘ তাঁহারা পরষ্পর বলাবলি করিতেছিলেন কবরের দ্বার হইতে কে আমাদের জন্য পাথর খানা সরাইয়া দিবে ? এমন সময় তাঁহারা দৃষ্টিপাত করিয়া দেখিলেন, পাথর খানা সরান গিয়াছেঅর্থাৎ এখানে মহিলারা পাথর সরানোর চাক্ষুস স্বাক্ষী নন

১০২  কবরের স্থানে মহিলারা কয়জন স্বর্গ-দূত এর দেখা পান ? যোহন ২০ :১২ অনুসারে - দুইজন - ‘ আর দেখিলেন শুক্ল বস্ত্র পরিহিত দুইজন  স্বর্গ-দূত যীশুর দেহ যে স্থানে রাখা হইয়াছিল, একজন তাহার শিয়রে, অন্য জন পায়ের দিকে বসিয়া আছেন’  লুক ২৪: অনুযায়ী -‘উজ্জ্বল বস্ত্র পরিহিত দুই পুরুষ’ (সম্ভবতঃ স্বর্গ-দূত) মার্ক ১৬: অনুসারে - একজন -‘ তাহারা কবরের ভিতরে গিয়া দেখিলেন, দক্ষিন পার্শ্বে শুক্ল বস্ত্র পরিহিত একজন যুবক (সম্ভবতঃ স্বর্গ-দূত) বসিয়া আছেন আবার মথি ২৮ : - অনুযায়ী -‘প্রভূর এক দূত স্বর্গ হইতে নামিয়া আসিয়া সেই পাথর খানা সরাইয়া দিলেন, এবং তাহার উপরে বসিলেনঅর্থাৎ এখানে স্বর্গ-দূত এর সংখ্যা একজন

১০৩ যীশুর (মৃত) দেহের কি হয়েছে বা তিনি কোথায় আছেন ব্যাপারে মহিলাদেরকে কেউ কি কিছু বলেছিলেন ?            মার্ক ১৬: অনুসারে - একজন শুক্ল বস্ত্র পরিহিত একজন যুবক, লুক ২৪: অনুযায়ী -‘উজ্জ্বল বস্ত্র পরিহিত দুই পুরুষএবং মথি ২৮ : - অনুসারে প্রভূর এক দূত এই সকলেই বলেছিলেন যেতিনি মৃতদের মধ্য থেকে উঠেছেন এবং এখানে (কবরে) নাইতবে যোহন ২০: - এর মধ্যে দেখা যায় যে  ‘ºলীনী মরিয়মএকাই সেখানে যান এবং তিনি  স্বর্গ-দূত বা কোন মানুষ কাউকেই সেখানে দেখেননি, কবরের পাথর সরানো দেখেই তিনি দৌড়দিয়ে গিয়ে অন্য লোক কে বলেন যে - ‘লোকে প্রভূকে কবর হইতে তুলিয়া লইয়া গিয়াছে, কোথায় রাখিয়াছে ,জানিনা

১০৪ºলীনী মরিয়মপ্রথম কখন পুনরূত্থিত যীশুকে দেখেন ? তাঁর প্রতিক্রিয়া তখন কেমন হয়ে ছিলমথি ২৮: - অনুসারে - সেই দূত স্ত্রী লোক কয়টিকে কহিলেন ..  ..তিনি মৃতদের মধ্য হইতে উঠিয়াছেন ..  তোমাদের অগ্রে গালীলে যাইতেছেন , সেইখানে তাঁহাকে দেখিতে পাইবে; .. তখন তাহারা সভয়ে মহানন্দে .. তাহার শিষ্য দিগকে সংবাদ দিবার জন্য দৌড়িয়া গেলেন (গালীলে যেতে হয়নি, স্বর্গীয় দূতের কথা মিথ্যা হয়ে গেল; তৎক্ষনাৎ রাস্তার উপরেই তাঁরা যীশুর দেখা পান) আর দেখ, যীশু তাঁহাদের সম্মুখবর্তী হইলেন, কহিলেন, তোমাদের মঙ্গল হউক; তখন তাঁহারা নিকটে আসিয়া তাঁহার চরন ধরিলেন তাঁহাকে প্রনাম করিলেন’                                                                                                                                 আর যোহন ২০: ১১-১৭ অনুযায়ী দেখা যায় সম্পূর্ন অন্য ভাষ্য, -‘ তিনি (ºলীনী মরিয়ম) তাঁহাদিগকে বলিলেন, লোকে আমার প্রভূকে লইয়া গিয়াছে; কোথায় রাখিয়াছে, জানিনা এই বলিয়া তিনি পশ্চাৎদিকে ফিরিলেন, আর দেখিলেন, যীশু দাঁড়াইয়া আছেন, কিন্তু চিনিতে পারিলেন না যে, তিনি যীশু যীশু তাঁহাকে বলিলেন, নারি, রোদন করিতেছ কেন ? কাহার অন্বেষন করিতেছ ? তিনি তাঁহাকে বাগানের মালী মনে করিয়া কহিলেন, মহাশয় আপনি যদি তাঁহাকে লইয়া গিয়া থাকেন, আমায় বলুন কোথায় রাখিয়াছেন.. ..যীশু তাঁহাকে বলিলেন, মরিয়ম তিনি ফিরিয়া ইব্রীয় ভাষায় তাঁহাকে কহিলেন, রব্বুনি ! যীশু তাঁহাকে কহিলেন, আমাকে স্পর্ষ করিও না কেননা এখনও আমি উর্দ্ধে পিতার নিকট যাই নাই

১০৫  পুনরূত্থানের পর যীশুর শিষ্যদের জন্য তাঁর নির্দেশ কি ছিলমথি ২৮: ১০ এবং ১৯-২০ অনুসারে-‘ যীশু তাহাদিগকে কহিলেন, ভয় করিও না, তোমরা যাও আমার ভাতৃগনকে সংবাদ দেও, যেন তাহারা গালীলে যায়; সেইখানে তাহারা আমাকে দেখিতে পাইবে’..  ..‘তোমরা গিয়া সমুদয় জাতিকে শিষ্য কর; পিতার পুত্রের পবিত্র আত্মার নামে তাহাদিগকে বাপ্তাইজ কর; আমি তোমাদিগকে যাহা যাহা আজ্ঞা করিয়াছি সে সমস্ত পালন করিতে তাহাদিগকে শিক্ষা দেও আর দেখ, আমিই যুগান্ত পর্যন্ত প্রতিদিন তোমাদের সঙ্গে সঙ্গে আছি লুক ২৪: ২৯ অনুসারে -‘ তিনি তাহাদিগকে কহিলেন, কেন উদ্বিঘœ হইতেছ? তোমাদের অন্তরে বিতর্কের উদয়ই বা কেন হইতেছে ? আমার হাত আমার পা দেখ স্বয়ং আমি, আমাকে স্পর্শ কর আর দেখ; কারন আমার যেমন দেখিতেছ, আত্মার রূপ অস্থি-মাংস নাই’   

১০৬ আমরা কি ভাবে পরকালে মুক্তি পেতে পারি ?

আমরা কি ভাবে পরকালে মুক্তি পেতে পারি যখন যীশু স্বয়ং বলেছেন যে আমরা প্রত্যেকে নরকের দিকে ধাবিত হচ্ছি : মথি: :২২   ‘ আমি তোমাদিগকে কহিতেছি, যে কেহ আপন ভ্রাতার প্রতি ক্রোধ করে সে বিচারের দায়ে পড়িবে ; আর যে কেহ আপন ভ্রাতাকে বলে, ‘রে নির্ব্বোধসে মহাসভার দায়ে পড়িবে আর যে কেহ বলে, ‘রে মূঢ়সে অগ্নিময় নরকের দায়ে পড়িবে’  অবশ্যই আমাদের অনেকে প্রায়ই কোন না কোন খারাপ কথাবার্তা বলে থাকি অতএব যীশুর বাণী অনুসারে আমরা প্রত্যেকেই নরকের আগুনে পুড়তে বাধ্য, এবং তা থেকে মুক্তি নেই পরকালে মুক্তির বিষয়ে যীশু যে সমস্ত বানী দিয়ে গেছেন বলে বাইবেলে উল্লেখ রয়েছে সে গুলি অনুযায়ী মুক্তির ব্যাপারটি নিতান্তই অনিশ্চিত তাছাড়া তাঁর ক্রশে মৃত্যুর ফলে মানবজাতী যে পাপ মুক্ত হয়ে যাবে, কথা তিনি কখনও একবারের জন্যও বলেন নি  পল যে সমস্ত মনগড়া কথাবার্তা বলে গেছেন সব কিছুর জন্যই তাঁকে হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে যীশু বলেন : ‘মনুষ্যেরা যত অনর্থক কথা বলে, বিচার দিনে সেই সকলের হিসাব দিতে হইবেমথি : ১২:৩৬

 

 ১০৭ করিন্থীয় ১৫: ২২ কারন আদমে যেমন সকলে মরে, তেমন আবার খ্রীষ্টেই সকলেই জীবন প্রাপ্ত হইবে

 অথচ দ্বিতীয় বিবরন ২৪: ১৬ দেখা যায় -‘ সন্তানের জন্য পিতার কিম্বা পিতার জন্য সন্তানের প্রানদন্ড করা যাইবে না; প্রতিজন আপন আপন পাপ প্রযুক্তই প্রানদন্ড ভোগ করিবে

পুনরায় : হিতোপদেশ ২১: ১৮ দুষ্ট ধার্ম্মিকদের মুক্তির মূল্য স্বরূপ, বিশ্বাসঘাতক সরলদের পরিবর্ত্ত স্বরূপ

 

 ১০৮ ইফিষীয় : ২৬ ক্রুদ্ধ হইলে পাপ করিও না ; সূর্য অস্ত না যাইতে যাইতে তোমাদের কোপাবেশ শান্ত হউক

আবার উপদেশক : গর্বিতাত্মা হইতে ধীরাত্মা ভাল তোমার আত্মাকে সত্ত্বর বিরক্ত হইতে দিও না কেননা হীন লোকেদেরই বক্ষ বিরক্তির আশ্রয় এবং

হিতোপদেশ ২২: ২৪ কোপন স্বভাবের লোকের সহিত বন্ধুতা করিওনা ক্রোধীর সঙ্গে যাতায়াত করিওনা, পাছে তুমি তাহার আচরন শিক্ষা কর

হিতোপদেশ ১৬: ৩২ যে ক্রোধে ধীর সে বীর হইতেও উত্তম, নিজ আত্মার শাসনকারী নগর-জয়কারী হইতেও শ্রেষ্ট

 

১০৯  তীমথিয় : ১৬ যিনি অমরতার একমাত্র অধিকারী অগম্য দীপ্তিনিবাসী, যাহাকে মনুষ্যদের মধ্যে কেহ দেখিতে পায় নাই, দেখিতে পারেওনা

আবার ঈশ্বর কে দেখাও যায় :

আদিপুস্তক ৩২: ৩০ তখন যাকোব সেইস্থানের নাম পনূয়েল (ঈশ্বরের মুখ) রাখিলেন, কেননা তিনি কহিলেন, আমি ঈশ্বরকে সম্মুখাসম্মুখি হইয়া দেখিলাম, তথাপি আমার প্রান বাঁচিল

এবং যাত্রাপুস্তক ৩৩: ১১ আর মনুষ্য যেমন মিত্রের সহিত আলাপ করে, তদ্রুপ সদাপ্রভূ মোশীর সহিত সম্মুখাসম্মুখি হইয়া আলাপ করিতেন এবং যিশাইয় : যে বৎসর উষিয় রাজার মৃত্যু হয়, আমি প্রভুকে এক উচ্চ উন্নত সিংহাসনে উপবিষ্ট দেখিলাম; তাহার রাজবস্ত্রের অঞ্চলে মন্দির পূর্ন হইয়াছিল

 

 ১১০ করিন্থীয় : ২৭ অমনি থাকা মনুষ্যের পক্ষে ভাল তুমি কি স্ত্রীর সঙ্গে সম্বন্ধ যুক্তমুক্ত হইতে চেষ্টা করিও না তুমি কি স্ত্রী হইতে মুক্ত ? স্ত্রীর চেষ্টা করিও না কিন্তু বিবাহ করিলেও তোমার পাপ হয় না

এর সঙ্গে

করিন্থীয় : - আমার ইচ্ছা এই যে সকল মনুষ্যই আমার মত হয় ...  ..  .. তাহারা যদি আমার মত থাকিতে পারে (অবিবাহিত) তবে তাহাদের পক্ষে তাহাই ভাল

এবং  আদিপুস্তক : ১৮ আর সদাপ্রভু ঈশ্বর কহিলেন মনুষ্যের একা থাকা ভাল নয়, আমি তাহার জন্য তাহার অনুরূপ সহকারিনী নির্মান করি

১১১ গালাতীয় : ২২ কিন্তু আত্মার ফল প্রেম, আনন্দ, শান্তি, দীর্ঘসহিষ্ণুতা, মাধুর্য, মঙ্গলভাব, বিশ্বস্ততা, মৃদুতা, ইন্দ্রিয়দমন; এই প্রকার গুনের বিরূদ্ধ ব্যবস্থা নাই

অথচ

বিচারকর্তৃগন : ১০ দেখা যায় -‘ সদাপ্রভুর আত্মা তাঁহার উপরে আসিলেন আর তিনি ইস্রায়েলের বিচার করিতে লাগিলেন ; তিনি যুদ্ধার্থে বাহির হইলেন

 

১১২  হোশেয় :   তখন সদাপ্রভু হোশেয়কে কহিলেন, তুমি যাও, ব্যভিচারের স্ত্রীকে ব্যভিচারের  সন্তান দিগকে গ্রহন কর

এর সঙ্গে

ইব্রীয় ১৩: সকলের মধ্যে বিবাহ আদরনীয় সেই শয্যা বিমল (হউক) ; কেননা ব্যভিচারীদের বেশ্যাগামীদের বিচার ঈশ্বর করিবেন

১১৩  ইব্রীয় : ১০-১১ হে প্রভু, তুমিই আদিতে পৃথিবীর ভিত্তিমূল স্থাপন করিয়াছ, আকাশ মন্ডলও তোমার হস্তের রচনা, সে সকল নষ্ট হইবে কিন্তু তুমিই নিত্যস্থায়ী

এর সঙ্গে বিপরীত

উপদেশক : পুরুষ চলিয়া যায় আর এক এক পুরুষ আইসে , কিন্তু পৃথিবী নিত্যস্থায়ী

১১৪ ইব্রীয় ১১: ২৭ বিশ্বাসে তিনি (মোশি) মিশর ত্যাগ করিলেন, রাজার কোপ হইতে ভীত হন নাই মোশি ভীত নন

এর সাথে

যাত্রাপুস্তক : ১৪-১৫ তখন মোশি ভীত হইয়া কহিলেন, কথাটা অবশ্যই প্রকাশ হইয়া পড়িয়াছে পরে ফরৌণ কথা শুনিয়া মোশিকে বধ করিবার চেষ্টা করিলেন কিন্তু মোশি ফরৌনের সম্মুখ হইতে পলায়ন করিলেন এখানে মোশি ভীত

১১৫ থিষলনীকীয় : কেহ যেন সীমা অতিক্রম করিয়া এই ব্যাপারে আপন ভ্রাতাকে না ঠকায় কেননা আমরা পূর্বে তোমাদিগকে যেমন বলিয়াছি স্বাক্ষ্য দিয়াছি তদনুসারে, প্রভু এই সকলের প্রতিফলদাতা

এর সঙ্গে বিপরীত

যিহিষ্কেল ৩৯: ১০ তাহারা তাহাদের লুটকারীদের ধনলুট করিবে যাহারা তাহাদের সম্পত্তি অপহরন করিয়াছিল তাহাদের সম্পত্তি অপহরন করিবে, ইহা সদাপ্রভু বলেন 

১১৬  তীমথিয় : ১৬ যিনি অমরতার একমাত্র অধিকারী, অগম্য দীপ্তি নিবাসী যাঁহাকে মনুষ্যদের মধ্যে কেহ কখনও দেখিতে পায় নাই, দেখিতে পারেও না .. .. ..

এর সঙ্গে বিপরীত

রাজাবলী : ১২  তখন শলোমন কহিলেন, সদাপ্রভু বলিয়াছেন যে তিনি ঘোর অন্ধকারে বাস করিবেন

গীতসংহিতা ৯৭:   মেঘও অন্ধকার তাঁহার চারিদিকে বিদ্যমান, ধর্মশীলতা বিচার তাঁহার সিংহাসনের ভিত্তিমূল 

 

১১৭  তীমথিয় : ২৩ এখন অবধি কেবল জলপান করিওনা, কিন্তু তোমার উদরের জন্য তোমার বার বার অসুখ হয় বলিয়া কিঞ্চিৎ দ্রাক্ষারস ব্যবহার করিও

এর সঙ্গে বিপরীত

হিতোপদেশ ২০: দ্রাক্ষারস নিন্দক ; সুরা কলহকারিনী, যে তাহাতে ভ্রান্ত হয়, সে জ্ঞানবান নয়

 

১১৮ আদিপুস্তক ১৫: ১৩ তখন তিনি অব্রামকে (আব্রাহাম) কহিলেন, নিশ্চয় জানিও, তোমার সন্তানগন পরদেশে প্রবাসী থাকিবে এবং বিদেশী লোকদের দাস্য কর্ম্ম করিবে লোকে তাহাদিগকে দুঃখ দিবে চারিশত বৎসর পর্যন্ত

এর সাথে বিপরীত

 গালাতীয় : ১৬-১৭ আব্রাহামের প্রতি তাঁহার বংশের প্রতি প্রতিজ্ঞা সকল উক্ত হইয়াছিল.. .. .. আমি এই বলি, যে নিয়ম    ঈশ্বর কর্তৃক পূর্বে স্থীরকৃত হইয়াছিল, চারিশত ত্রিশ বৎসর পরে উৎপন্ন ব্যবস্থা সেই নিয়মকে উঠাইয়া দিতে পারে না, যাহাতে  প্রতিজ্ঞাকে বিফল করিবে      

 

১১৯  প্রেরিত ১৩: ১৭-২০ এইজাতি যখন মিশর দেশে প্রবাস করিতেছিল তখন তাহাদিগকে উন্নত করিলেন উচ্চ বাহু সহকারে তথা হইতে বাহির করিয়া আনিলেন .. .. .. এইরূপে কমবেশ চারিশত পঞ্চাশ বৎসর অতীত হইল তারপর তিনি শামুয়েল ভাববাদীর সময় পর্যন্ত বিচারকর্তৃগণ দিলেন

রাজাবলী : মিশরদেশ হইতে ইস্রায়েল সন্তানদের বাহির হইয়া আসিবার পর চারিশত আশি বৎসরে, ইস্রয়েলের উপরে শলোমনের রাজত্বের চতুর্থ বৎসরের সিব মাসে অর্থাৎ দ্বিতীয় মাসে শলোমন সদাপ্রভুর উদ্দেশ্যে গৃহ নির্মান করিতে আরম্ভ করিলেন

তাই যদি হয় সে ক্ষেত্রে ইস্রায়েলীদের মিশর থেকে আসা এবং শলোমন এর রাজত্বকালের শুরু ৪৭৬ বৎসর

বিচারকর্তৃগণ রাজত্ব করলেন ৪৫০ বৎসরতাহলে দেখা যাচ্ছে শৌল এবং দায়ুদের একত্রে রাজত্বকাল হচ্ছে মাত্র ২৬ বৎসর অথচ শামুয়েল : ছত্র অনুসারে দেখা যাচ্ছে - দায়ুদ ত্রিশ বৎসর বয়সে রাজত্ব করিতে আরম্ভ করেন, এবং চল্লিশ বৎসর রাজত্ব করেন

 

১২০  আদি পুস্তক :১৬  ঈশ্বর সম্বন্ধে বলা হয়েছে - ‘ কয়িন সদাপ্রভূর সাক্ষাৎ হইতে প্রস্থান করিয়া এদনের পূর্বদিকে নোদ দেশে বাস করিল অর্থাৎ কয়িন ঈশ্বরের চোখের আড়ালে চলে গেলেন আসলে ঈশ্বরের চোখের আড়ালে যাওয়া কি সম্ভব ?    যিরমিয় ২৩: ২৩-২৪ তে দেখা যায় -‘ সদাপ্রভূ কহেন, আমি কি নিকটে ঈশ্বর, দূরে কি ঈশ্বর নহি ? সদাপ্রভূ কহেন, এমন গুপ্ত স্থানে কি কেহ লুকাইতে পারে যে, আমি তাহাকে দেখিতে পাইব না ?

১২১ আদিপুস্তক ১৬ : ১৫, ২১: - এবং গালাতীয় : ২২ দেখা যায় - আব্রাহামের দুই পুত্র ছিল ; ইস্মায়েল এবং ইসহাক     আবার ইব্রীয় ১১ : ১৭ অনুসারে দেখা যায় -‘ বিশ্বাসে আব্রাহাম পরীক্ষিত হইয়া ইসহাককে উৎসর্গ করিয়াছিলেন..  .. তিনি আপনার এই একজাত পুত্রকে উৎসর্গ করিতেছিলেনঅর্থাৎ ভক্তির চোটে সব কিছু গোলমাল হয়ে গেছে

১২২ আদিপুস্তক ১৭:, ৩৫ -১১, বংশাবলী ২৯: ১১-১২, লুক : ৩৭  ইত্যাদি অনুসারে ঈশ্বরকে সর্ব শক্তিমান ঈশ্বর হিসাবেই দেখানো হয়েছে কিন্তু বিচারকর্তৃগনের বিবরন : ১৯ অনুসারে দেখা যায়- ‘সদাপ্রভূ যিহুদার সহবর্ত্তী ছিলেন , সে পর্ব্বতময় দেশের নিবাসী দিগকে অধিকারচ্যুত করিল; কারন সে তলভুমি নিবাসী দিগকে অধিকারচ্যুত করিতে পারিল না, কেননা তাহাদের লৌহরথ ছিল’- এখানে দেখা যাচ্ছে সদাপ্রভূ যিহুদার সহবর্ত্তী থাকা সত্ত্বেও কেবল মাত্র তলভুমি নিবাসীদেরলৌহরথথাকার কারনে যিহুদা এবং সদাপ্রভূ তাদেরকে জয় করতে সমর্থ হলেন না সদাপ্রভূ কি সত্যই সর্বশক্তিমান ঈশ্বর ?

১২৩ আদিপুস্তক ১৭: এবং ১০ - ১১ এর মধ্যে দেখা যায় - ‘আমি তোমার সহিত পুরুষানুক্রমে তোমার ভাবী বংশের সহিত যে নিয়ম স্থাপন করিব, তাহা চিরকালের নিয়ম হইবে..  .. তোমার সহিত তোমার ভাবী বংশের সহিত কৃত আমার যে নিয়ম তোমরা পালন করিবে তাহা এই,তোমাদের প্রত্যেক পুরুষের ত্বকচ্ছেদ হইবে তোমরা আপন আপন লিঙ্গাগ্র-চর্ম্ম ছেদন করিবে তাহাই তোমাদের সহিত আমার নিয়মের চিহ্ন হইবে..  .. কিন্তু যাহার লিঙ্গাগ্র-চর্ম্ম ছেদন না হইবে, এমন অচ্ছিন্নত্বক পুরুষ আপন লোকেদের মধ্য হইতে উচ্ছিন্ন হইবে; সে আমার নিয়ম ভঙ্গ করিয়াছেকিন্তু গালাতীয় : ১২- ১৫ অনুসারে দেখা যায় -‘ ত্বকচ্ছেদ কিছুই নয়, অত্বকচ্ছেদও নয়, কিন্তু নূতন সৃষ্টিই সার

১২৪ আদিপুস্তক ১৯: ৩০- ৩৮ দেখা যায় - ‘লোট’ (লুত আঃ) মাতাল অবস্থায় তাঁর দুইকন্যার সাথে সহবাসের ফলে দুইকন্যা গর্ভবতী হয়ে দুইপুত্র সন্তান প্রসব করে (নবীর নামে কি মিথ্যা অপবাদ!!) আবার পিতর : দেখা যায় - ‘সেই ধার্ম্মিক লোটকে উদ্ধার করিলেনঅর্থাৎ লোট কে এখানে ধার্ম্মিক হিসাবে দেখানো হয়েছে

১২৫ আদিপুস্তক ৩৫: ১০ অনুযায়ী - ঈশ্বর বলেনতোমার নাম যাকব; লোকে আর তোমাকে যাকব বলিবেনা, তোমার নাম ইস্রায়েল হইবে; আর তিনি তাঁহার নাম ইস্রয়েল রাখিলেনকিন্তু পরে আদিপুস্তক ৪৬: দেখা যাচ্ছে এর পরেও স্বয়ং ঈশ্বরই তাঁকে আবার যাকব বলে সম্বোধন করেছেন- ‘ পরে ঈশ্বর রাত্রিতে ইস্রায়েলকে দর্শন দিয়া কহিলেন, হে যাকোব, হে যাকোব তিনি উত্তর করিলেন, দেখ, এই আমি

১২৬ ইস্রয়েলের বার পিতৃপুরুষ এর নাম গুলি কি কিআদিপুস্তক ৪৯: -২৮ অনুসারে তাঁরা হলেন -    রূবেন, শিমিয়োন, লেবী, যিহুদা, সবূলূন, ইষাখর, দান, গাদ, আশের, নপ্তালি, যোষেফ বিন্যামীন আবার প্রকাশিত বাক্য : - অনুসারে এই নামের তালিকা হতেদানএর নাম বাদ পড়েছে আর সেই স্থানেমনঃশিএই নামটি যোগ হয়েছে

১২৭ যাকবের কবর হয়েছিল কোথায়  ?                                                                           আদিপুস্তক ৫০ : ১২ অনুসারে যাকব অর্থাৎ ইয়াকুব আঃ কে কবর দেওয়া হয় - ‘ যাকোব আপন পুত্রগন কে যেরূপ আজ্ঞা দিয়াছিলেন, তাঁহারা তদনুসারে তাঁহার সৎকার করিলেন ফলতঃ তাঁহার পুত্রগন তাঁহাকে কনান দেশে লইয়া গেলেন এবং মম্রির সম্মুখস্থ মক্পেলা ক্ষেত্রের মধ্যবর্ত্তী গুহাতে তাঁহার কবর দিলেন’  আবার প্রেরিতদের কার্য : ১৫-১৬ দেখা যাচ্ছে - ‘ যাকোব মিশরে গেলেন, পরে তাঁহার আমাদের পিতৃপুরুষদের মৃত্যু হইল আর তাঁহারা শিখিমে নীত হইলেন, এবং যে কবর আব্রাহাম রৌপ্যমূল্য দিয়া শিখিমে হমোর সন্তানদের নিকটে ক্রয় করিয়াছিলেন, তন্মধ্যে সমাহিত হইলেন

১২৮ যাত্রাপুস্তক ২০: অনুসারে -‘ তুমি আপনার নিমিত্তে খোদিত প্রতিমা নির্মান করিও না উপরিস্থ স্বর্গে, নীচস্থ পৃথিবীতে পৃথিবীর নীচস্থ জল মধ্যে যাহা যাহা আছে, তাহাদের কোন মূর্তি নির্মান করিওনাকিন্তু যাত্রাপুস্তক ২৫: ১৭ - ১৯ এর মধ্যে দেখা যায় যে স্বয়ং সদাপ্রভূ নির্দেশ দিয়েছেন - ‘ পরে তুমি নির্মল স্বর্নে আড়াই হস্ত দীর্ঘ দেড় হস্ত প্রস্থ পাপাবরণ প্রস্তুত করিবে আর তুমি স্বর্নের দুই করূব (ডানাযুক্ত সুন্দর শিশু) নির্মান করিবে; পাপবরণের দুই মুড়াতে পিটান কার্য্য দ্বারা তাহাদিগকে নির্মান করিবে’   



তারিখ: বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ, ২০১৮ ।